অসীম সেন: হার কর জিতনে বালে কো বাজিগর কহেতে হ্যায়। ১৯৯৩ সালের ব্লকবাস্টার বলিউড সিনেমা। অনেক কিছু শেখায় এই সিনেমা। সেই টেনাসিটি বাদশা খান ইনজেক্ট করেছেন গোটা দলে। প্রথম ছ'টা ম্যাচে খাতা খুলতে পারেনি।...
অসীম সেন: হার কর জিতনে বালে কো বাজিগর কহেতে হ্যায়। ১৯৯৩ সালের ব্লকবাস্টার বলিউড সিনেমা। অনেক কিছু শেখায় এই সিনেমা। সেই টেনাসিটি বাদশা খান ইনজেক্ট করেছেন গোটা দলে। প্রথম ছ'টা ম্যাচে খাতা খুলতে পারেনি। অনেকটা আব্বুলিশ টিমের মত। তারপরেই বিষ্ফোরণ। এখন প্লে অফের কিনারায়। ফল কী হবে তা পরের প্রশ্ন, কিন্তু এই লড়াইকে স্যালুট জানাতেই হবে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি করার অপরাধে ৩২১ কর্মী খুন হয়েছেন। নির্বাচনে জয় পাওয়ার পর দাঁত নখ বের করেছিল তৎকালীন শাসক শিবির। শয়ে শয়ে বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া হয়েছিলেন। বুক দিয়ে আগলিয়েছিল বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব। তাঁদের সাহস জুগিয়েছিলেন অমিত-মোদি জুটি। অবশেষে হাওয়া বদলালো। পারিবারিক সম্পত্তি থেকে রাষ্ট্র হিসেবে ফের পরিচয় ফিরে পেল বাংলা।
২০২৫ সালের মে মাসে ডায়মন্ড হারবার থানার মূল ভবনের পাশে ওয়ার্ড নম্বর ১০ এর মাধবপুর এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। মডেল জনপদ ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাজেয়াপ্ত করা প্রায় ২০-২৫ কেজি কাঁচা বারুদ ও বেআইনি বাজি মজুত রাখা ছিল। হঠাৎ সেখানে আগুন লেগে যাওয়ার ফলে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। তারও কিছুদিন আগে ২০২৪ এর শেষ লগ্নে, ডায়মন্ড হারবার থানার অন্তর্গত বারদ্রোণ নস্করপাড়া গ্রামে একটি বসতবাড়িতে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। ওই বাড়িতে অবৈধভাবে প্রচুর বাজি ও বাজি তৈরির মশলা মজুত করে রাখা ছিল। ঘটনায় মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছিল। বিরোধীরা বলেছিল হিরের দ্যুতির আড়ালে বাজির গুদামঘরে পরিণত হয়েছে যুবরাজের চারণ ভূমি। পাত্তা দেওয়া হয়নি। পাত্তা দেওয়া হয়নি কারণ তখন সেখানে পুষ্পা রাজ চলছিল।
শহরে যুবরাজের একাধিক সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে আজ চিঠি গিয়েছে। এই সম্পত্তির কারিগরও হয়তো পুষ্পা। গেল লোকসভা নির্বাচনে যুবরাজকে লক্ষাধিক ভোটের লিড উপহার দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। ফলতায় এখন নির্বাচন চলছে। মুখ লুকিয়েছে আকবর পুত্র, বেতাজ বাদশা। যাবার সময় কি বলে গিয়েছে? আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে—এই বাংলায়। হয়তো মানুষ নয় হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে...হয়তো বা ভোরের সমীরণ। ইঁদুর বাদুর যে রূপেই আসুন না কেন, তারা আসুন। পদ্ম শিবির ওনাদের মিস করছে। আপাতত বিঘ্নহীন নির্বাচন ফলতায়। দীর্ঘ দেড় দশক পরে ভোট লাইনে হাসি আর খুনসুটি। ফল সকলেরই মোটামুটি জানা। তবুও অপেক্ষায় থাকতে হয়, সেটাই রীতি।rn