(আর একটা কপি কমলাকান্ত চক্রবর্তীর। আফিমের গুলি পেটে না পড়লে বাবুর আবার লেখা আসে না। নেশার ঘোরে কী লেখে কে জানে? অসীম সেনের সঙ্গে কী করে কমলাকান্তের সখ্যতা হল তা সঠিক করে বলা যায় না। কমলাকান্তের নির্দ...
(আর একটা কপি কমলাকান্ত চক্রবর্তীর। আফিমের গুলি পেটে না পড়লে বাবুর আবার লেখা আসে না। নেশার ঘোরে কী লেখে কে জানে? অসীম সেনের সঙ্গে কী করে কমলাকান্তের সখ্যতা হল তা সঠিক করে বলা যায় না। কমলাকান্তের নির্দেশে তোলা হল এই লেখা)
পুষ্পা ঝোঁকে না। কোনও দিন ঝোঁকার দরকারও পড়েনি। ধন্য ঘাসফুল শিবির এখানে শাহজাহান আছে, জাহাঙ্গির আছে, হুমায়ুন আছে। পিঠে তৈরির কারখানা আছে, ধর্ম বিক্রির ফিকির আছে, বোম শিল্পের উন্নয়ন আছে। বন্দরে তখনও হিরে চমকাচ্ছিল। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠ ভাবে হয়, পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা পৌঁছেছিলেন অভিষেক গড়ে। সেদিন এক তৃণমূল স্তরের নেতার ঔদ্ধত্য দেখে চমকে গিয়েছিলেন আইপিএস অফিসার। যুবরাজ আরও এক কাঠি উপরে। ফলতায় কারচুপি। জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশে ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছন সুব্রত গুপ্ত। ৬০টি বুথে ভোট চলাকালীন বেনিয়ম ধরা পড়েছে।রিপোর্ট জমা পড়ে।
ফলতায় ফের একবার ভোটের ঘোষণা। সবই ষড়যন্ত্র। বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন অভিষেক, যদি সাহস থাকে ফলতায় লড়ে দেখাক। গডফাদারদের নিয়ে এলেও দশ জন্মেও ডায়মন্ড হারবার মডেলে কালি ছেটানো অসম্ভব। তখনও কাজি নজরুল মুচকি মুচকি হেসে কবিতা আউড়িয়েছিলেন, ওরে কথা শোন ক্ষ্যাপা, দিব্যি আছিস খোশ হালে, প্রায় হাফ নেতা হয়ে উঠেছিস এবারে দাঁও ফস্কালে, ফুল নেতা আর হবি নে যে হায়।বোঝেনি ইঙ্গিত বোঝেনি। পিসির না হয় বিষ্ণু মাতা রয়েছেন। কিন্তু তাঁর তো জীবন খাতার প্রতিটি পাতা সুজয় কাকুর হিসেবে ভর্তি। ফল শেষ পর্যন্ত প্রকাশ পেল। অস্তে গেলা দিনমণি; আইলা গোধুলি। ফলতার পুষ্পা পার্টি অফিস বন্ধ করে ভাগলবা। গুটি গুটি পায়ে পার্টি অফিস ছাড়লেন ১৪ জন পুলিশকর্মী।
এখন ফলতায় চলছে বাহিনী-পুলিশের যৌথ টহল। সেতো এলো না, এলো না কেন এলো না জানি না। সাম্রাজ্য গড়ার জন্য শিঙা ফুঁকেছিলেন। জাহাঙ্গির আজ ভোট রাজনীতিতে ভ্যানিশ হয়ে গেছে। তৃণমূলের থেকে আজ ফলতায় বেশি প্রাসঙ্গিক সিপিএম। এখানেই কি যন্ত্রণার শেষ? কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক ডায়মন্ড হারবারে। ফলতা বিধানসভার ভোটের আগে শাসকদলের রাজনৈতিক কৌশল। পালাবদলের আগ পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবার ছিল ঘাসফুলের দুর্ভেদ্য দুর্গ। এখন সেই দুর্গের পাঁচিল ধ্বসে গিয়েছে। সাতগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে পর্যন্ত তৃণমূল প্রার্থী সোমাশ্রী বেতালকে পরাজিত করেছেন বিজেপির অগ্নীশ্বর নস্কর। এখন সময় ঘুরেছে। যুবরাজ আর বলতে পারছেন কই ,যতই করো হামলা। ফলতার ভাগ্য লেখা হয়ে গিয়েছে। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পন্ডার পক্ষে হাওয়া তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।