বাংলা বা ভারতীয় চলচ্চিত্রে তিন কিংবদন্তি পরিচালক সত্যজিৎ মৃণাল ও ঋত্বিক ঘটক। এদের পরে এদের ধারেকাছে কেউ আসে নি। কারণ - - - দেখুন, সত্যজিৎ রায় ড. বিধান রায়ের সহযোগিতা বারবার পেয়েছেন। সরকারি সাহায্য...
বাংলা বা ভারতীয় চলচ্চিত্রে তিন কিংবদন্তি পরিচালক সত্যজিৎ মৃণাল ও ঋত্বিক ঘটক। এদের পরে এদের ধারেকাছে কেউ আসে নি। কারণ - - - দেখুন, সত্যজিৎ রায় ড. বিধান রায়ের সহযোগিতা বারবার পেয়েছেন। সরকারি সাহায্য না থাকলে পথের পাঁচালী তৈরী করা কঠিন ছিল। এছাড়া ডা. রায়ের অনুরোধে রবীন্দ্র জন্ম শতবর্ষে সরকারি অনুদানে তৈরি করেছিলেন ' তিন কন্যা'। নি:সন্দেহে মানিকবাবু ভারতকে বিশ্ব চলচ্চিত্রের বাজারের শীর্ষে নিয়ে গেছেন, মৃণাল সেন ছিলেন ঘোষিত বামপন্থী তথা সিপিএম। তাদের জমানায় একের পর এক ছবি করেছেন। সাহায্য পেয়েছেন এবং ছবি ফ্লপ করেছে। কিন্তু ঋত্বিক ছিলেন বেপরোয়া। নিজের মর্জিতে ছবি করেছেন। ছবি চলবে কি না ভাবেন নি। অবশ্যই কমিউনিষ্ট ছিলেন কিন্তু তার থেকে বেশি বাঙালি ছিলেন। দেশভাগ মেনে নিতে পারেন নি। এছাড়া কোনও সরকারকে পাত্তা দেন নি। আজকের সত্যজিৎ পুত্র সন্দীপ ছবি করছেন ঠিকই কিন্তু তার কোনও স্ট্যান্ডার্ড নেই। সময় মতো আসনে বসা সরকারের ভজনা করেছেন। যোগ্যতা না থাকলে যা হয় আর কি? এই বছর ঋত্বিকের তৈরী প্রথম ছবি রিলিজ হয়। নাগরিক এর পঞ্চাশ বছর। এবং শেষ ছবি যুক্তি তর্ক গল্প এর রিলিজও হয়। সেলাম ঋত্বিক ঘটক।