নতুন বছরের শুরুতেই বড় আতান্তরে পড়েছেন কুণাল ঘোষ। অভিষেকের মন্তব্যে 'অভিমানী' কুণাল এখন তাকিয়ে 'দিদি'র দিকেই। বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই চেয়ারপার্সন। তিনি যা বলবেন তাই শুনবেন । কিন্তু কেন এমন কাণ্ড ?...
নতুন বছরের শুরুতেই বড় আতান্তরে পড়েছেন কুণাল ঘোষ। অভিষেকের মন্তব্যে 'অভিমানী' কুণাল এখন তাকিয়ে 'দিদি'র দিকেই। বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই চেয়ারপার্সন। তিনি যা বলবেন তাই শুনবেন । কিন্তু কেন এমন কাণ্ড ?
তৃণমূলের অন্দরে কুণাল, অভিষেক ঘণিষ্ট বলেই পরিচিত। একাধিকবার অভিষেককে দলে আরও বড় দায়িত্ব দেবার পক্ষে সওয়ালও করেছেন তিনি। সেই কুণালই এখন অভিমানী হয়ে বলছেন 'কোথাও একটা ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। আমি আমার অবস্থানে অনড়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের চেয়ারপার্সন। উনি যা বলবেন তাই শুনবো'।
কিন্তু কি নিয়ে এই 'ভুল বোঝাবুঝি' ?
আরজিকর কাণ্ডে যেসব শিল্পী, গায়ক, বুদ্ধিজীবীরা মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছিলেন তাঁদের সরকারি এবং তৃণমূলের কোনও অনুষ্ঠানে ডাকার বিরোধিতা করে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন কুণাল ঘোষ। কুণাল লেখেন 'যে শিল্পী চটিচাটা বলে সরকারপন্থীদের আক্রমণ করতেন, এখন শীতের জলসার পোস্টারে মুখ্যমন্ত্রীর ছবির সঙ্গে তাঁর ছবি। তৃণমূল নেতাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন এদের ডাকা হবে? ওরা ডাকলেই আসবেন। কিন্তু ওঁদের তৃণমূল নেতাদের বিনোদন মঞ্চে ডাকা যেতে পারে না। তৃণমূল কর্মীরা ওঁদের বয়কট করুন'।
সমাজ মাধ্যমে কুণালের এই পোস্টের পর আলোড়ন ওঠে। অনেকেই কুণালের মতকে সমর্থন করেন, বিরোধিতাও করেন অনেকে। কথাটা কানে যায় অভিষেকেরও। অভিষেকই জানান 'এক শিল্পী আমাকে ফোনও করেছিলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে মেলা কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করি, কথা বলি। যিনি ফোন করেছিলেন তিনি শো করেছেন' বলেও সাংবাদিকদের জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই কুণাল ঘোষের নাম না করে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বলেন 'এটা দলের অবস্থান নয়। পার্টির তরফে কেউ বলেছে? কোনও নোটিশ দেখেছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা আমি জেনারেল সেক্রেটারি কিছু বলেছি?'
এরপরও বুকে আঘাত লাগবে না? নিন্দুকেরা বলছেন জনান্তিকে প্রাক্তণ তৃণমূল মুখপাত্র নাকি বলেছেন যার জন্য চুরি করি সেই বলে চোর। তাই এখন দিদির মুখপানেই তাকিয়ে রয়েছেন তিনি বিচারের আশায়।