কলকাতা যা পারেনি ,হায়দরাবাদ তা করে দেখিয়েছে। শনিবারে কলকাতার যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলা। তারই মাঝে হায়দরাবাদের উদ্দেশে বিমানে রওনা দিয়েছিলেন মেসি। সেখানে বিকেলে পৌঁছন তিনি। তেলেঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রে...
কলকাতা যা পারেনি ,হায়দরাবাদ তা করে দেখিয়েছে। শনিবারে কলকাতার যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলা। তারই মাঝে হায়দরাবাদের উদ্দেশে বিমানে রওনা দিয়েছিলেন মেসি। সেখানে বিকেলে পৌঁছন তিনি। তেলেঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির সঙ্গে ফুটবলও খেলেছেন মেসি। হায়দরাবাদের অনুষ্ঠান খুব সুষ্ঠ ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রবিবার মুম্বইয়ে পা রেখেছেন লিওনেল মেসি। কোনওরকম বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সেই কারণে আঁটসাঁট নিরাপত্তা করা হয়েছে বাণিজ্যনগরীতে। সতর্ক রয়েছে মুম্বই পুলিস ও প্রশাসন।
জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল তখন ১১ টা বেজে ৩০ মিনিট। ঠিক সেসময় যুবভারতীতে মেসির গাড়ি ঢোকে। স্বাভাবিকভাবেই প্রিয় তারকা ফুটবলারকে দেখতে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। তবে অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ ধরে মেসিকে দেখতে দেওয়া হয়নি দর্শকদের। মূলত নেতা-মন্ত্রীরাই ঘিরেছিল ফুটবলের রাজপুত্রকে। যার ফলে রীতিমত ক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকরা। শুরু হয় চরম বিশৃঙ্খলা। দর্শকরা নিজেদের আসন থেকে জলের বোতল ছুঁড়তে থাকে। ছিঁড়ে ফেলে হেন্ডিং, ব্যানার। এমনকি দর্শকরা চেয়ার ও গেট ভাঙারও চেষ্টা করে। শুধু তাই নয়। সেই সঙ্গে ব্যারিকেড ভেঙে মাঠের ভিতরও ঢুকে পড়ে দর্শকরা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে এদিন কার্যত লণ্ডভণ্ড হয় যুবভারতী।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি তুলেছে দর্শকরা। তাঁদের দাবি, আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। অবিলম্বে টিকিটের টাকা ফেরত চাই। এই আবহে আগেই শতদ্রু দত্ত দর্শকদের পুরো টিকিটের মূল্য রিফান্ড করবেন বলে পোস্ট করেন সমাজমাধ্যমে। সেই পোস্টকে ঘিরে গুঞ্জন শুরু হওয়ার মিনিট ২-৩ পরেই উধাও হয়ে যায় পোস্ট! নিজেই টাকা ফেরতের পোস্টটি ডিলিট করে দেন শতদ্রু। তাহলে কার নির্দেশে কাজ করছেন শতদ্রু? কেন এই পোস্ট ডিলিট? এমন একাধিক প্রশ্ন উঠছে।
যুবভারতীকাণ্ডে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পুলিসের তরফ থেকে। মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিস। রবিবারই বিধানানগর মহকুমা আদালতে তোলা হয় তাঁকে। এমনকি ধৃত শতদ্রুকে ১৪ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শনিবারই বিমানবন্দর থেকে শতদ্রুকে গ্রেফতার করা হয়। তারপরই রবিবার বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হলে তার ১৪ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।