নির্ধারিত সময়ের আগেই মেসিকে মাঠ থেকে নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ দর্শকদের। সেই সঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, চড়া দামে টিকিট কেটেও মেসিকে ঠিকভাবে দেখতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে শনিবার কার্যত লণ্ডভণ্...
নির্ধারিত সময়ের আগেই মেসিকে মাঠ থেকে নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ দর্শকদের। সেই সঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, চড়া দামে টিকিট কেটেও মেসিকে ঠিকভাবে দেখতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে শনিবার কার্যত লণ্ডভণ্ড হয় যুবভারতী। চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেই যুবভারতী ছেড়ে দুপুরে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন মেসি। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই কলকাতা থেকে বিমানে চেপে হায়দরাবাদ পৌঁছছেন তিনি। সেখানে রাজীব গান্ধি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে একাধিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন মেসি। এই আবহে হায়দরাবাদে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। তাহলে কি কলকাতার বিশৃঙ্খলার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হল সেখানে? উঠছে প্রশ্ন। এদিন রাত ৯ টার সময় মাঠ ছাড়ার কথা রয়েছে মেসির।
জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল তখন ১১ টা বেজে ৩০ মিনিট। ঠিক সেসময় যুবভারতীতে মেসির গাড়ি ঢোকে। স্বাভাবিকভাবেই প্রিয় তারকা ফুটবলারকে দেখতে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। তবে অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ ধরে মেসিকে দেখতে দেওয়া হয়নি দর্শকদের। মূলত নেতা-মন্ত্রীরাই ঘিরেছিল ফুটবলের রাজপুত্রকে। যার ফলে রীতিমত ক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকরা। শুরু হয় চরম বিশৃঙ্খলা। দর্শকরা নিজেদের আসন থেকে জলের বোতল ছুঁড়তে থাকে। ছিঁড়ে ফেলে হেন্ডিং, ব্যানার। এমনকি দর্শকরা চেয়ার ও গেট ভাঙারও চেষ্টা করে। শুধু তাই নয়। সেই সঙ্গে ব্যারিকেড ভেঙে মাঠের ভিতরও ঢুকে পড়ে দর্শকরা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে এদিন যুবভারতী রীতিমত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।
ইতিমধ্যেই মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি তুলেছে দর্শকরা। তাঁদের দাবি, আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। অবিলম্বে টিকিটের টাকা ফেরত চাই। এই আবহে আগেই শতদ্রু দত্ত দর্শকদের পুরো টিকিটের মূল্য রিফান্ড করবেন বলে পোস্ট করেন সমাজমাধ্যমে। সেই পোস্টকে ঘিরে গুঞ্জন শুরু হওয়ার মিনিট ২-৩ পরেই উধাও হয়ে যায় পোস্ট! নিজেই টাকা ফেরতের পোস্টটি ডিলিট করে দেন শতদ্রু। তাহলে কার নির্দেশে কাজ করছেন শতদ্রু? কেন এই পোস্ট ডিলিট? এমন একাধিক প্রশ্ন উঠছে। যুবভারতীকাণ্ডে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পুলিসের তরফ থেকে।