নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি। এমনকি কবে তা ঘোষণা হবে, তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, মার্চের পয়লা তারিখ থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বুটের শব্দ শোনা যাবে রাজ্যে। এবং, রাজ্যের মুখ্যসচিবকে লেখা ...
নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি। এমনকি কবে তা ঘোষণা হবে, তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, মার্চের পয়লা তারিখ থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বুটের শব্দ শোনা যাবে রাজ্যে। এবং, রাজ্যের মুখ্যসচিবকে লেখা অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চিঠিতে তা এখন সংশয়হীন।
সূত্রের খবর, বিধানসভা ভোটের আগেই, মার্চ মাসে মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে রাজ্যে। এখনও পর্যন্ত যা খবর, ১ তারিখ রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি আর ১০ তারিখে বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী।
পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এই দাবি করে আসছে বেশ কিছুদিন ধরেই। বিশেষ করে এসআইআর-এর শুনানি-পর্বে যখন রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের বিক্ষোভ, বিডিও অফিস ভাঙচুর, প্রকাশ্যে কমিশনের বিরুদ্ধে মানুষকে তাতিয়ে তোলার ঘটনা ক্রমাগত সামনে আসছিল, তখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিল বঙ্গবিজেপি। এছাড়াও, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়ের সামনে তৃণমূলপন্থী বিএলও-দের লাগাতার বিক্ষোভের প্রসঙ্গেও বাহিনী মোতায়েনের দাবি ওঠে। এবং, সর্বোপরি, বিএলও-দের নিরাপত্তা না-দিলে সুষ্ঠুভাবে রাজ্যে
এসআইআর পর্ব সম্পন্ন করা যাবে না বলেও দাবি করেছিল বঙ্গবিজেপি নেতৃত্ব।
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, শুধু বঙ্গবিজেপির দাবিই নয়। রাজ্যে এসাইআর পর্বে নৈরাজ্য চলেছে, কমিশনের পর্যবেক্ষক সি মুরুগানের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে, তাতে কমিশনও তিতিবিরক্ত। এমতাবস্থায়, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা নিয়ে যখন চূড়ান্ত সংশয় দেখা দিয়েছে, নজিরবিহীনভাবে আদালতের নজরদারিতে এসাইআরের শেষ পর্ব সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত, তাতে করে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না কমিশন। এসআইআর-পর্বে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে রাজ্যের ডিজিকে সতর্ক করে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট চরম পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এবং এই সবকিছুর নিট ফল: ভোট ঘোষণার আগেই বাংলায় প্রায় ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ।