"এসআইআর হোক, অসুবিধে কোথায়, বরং ভালোই হবে", মন্তব্য করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এসআইআর ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে নামতে চলেছেন, তখন অনুব্রত-উবাচে প্রবল বিড়ম্বন...
"এসআইআর হোক, অসুবিধে কোথায়, বরং ভালোই হবে", মন্তব্য করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।
মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এসআইআর ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে নামতে চলেছেন, তখন অনুব্রত-উবাচে প্রবল বিড়ম্বনায় পড়ে শাসক দল। দলে তাঁর প্রতিপক্ষ কাজল শেখ মন্তব্য করেন, "যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার দাবি করছেন, এসআইআর আদতে ঘুরপথে এনআরসি-র পথ প্রশস্ত করছে, তখন যাঁরা এই মন্তব্য করেন, তাঁরা আর যাই হোন-না কেন, দলের সৈনিক নন"।
এই পরিস্থিতিতে, জেলায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি কেমন চলছে, দলের বিএলএ-রা কতটা সক্রিয়া, তা দেখতে বোলপুরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিমবাজারে হাজির হন অনুব্রত। জেলায় তৃণমূলের কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত কার্যত ব্যাখ্যা দেন, কেন ওই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সরাসরি ওই প্রসঙ্গ তিনি তোলেননি ঠিকই, তবে ঘুরপথে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “এসআইআর নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন—তাঁরাই সব দেখবেন।”
কাশিমবাজার থেকে দলের কর্মীদের নির্দেশ দেন, "কেউ যেন বাদ না-যান। যে-দলের সমর্থক হোন না কেন, এনুমারেশন ফর্ম ভরে সবাই যাতে তা জমা দেন"।
এরপর তাঁকে বলতে শোনা যায়, "এনআরসি-র জন্যই এসআইআর হচ্ছে। অসমে যাঁরা নাগরিকত্ব হারিয়েছেন, তাঁদের বেশিরভাগই হিন্দু"।
প্রশ্ন ওঠে, তাহলে এসআইআর ফর্ম নিয়ে তা জমা দেওয়া কি সঠিক কাজ হবে? অনুব্রতর আশ্বাস, “ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন— তাঁরাই সব দেখবেন।”
ছাব্বিশের বিধানসভা নিয়ে কতটা চিন্তিত? অনুব্রতর উত্তর, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ফের মুখ্যমন্ত্রী হবেন"।