বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ফলতায় পুনর্নির্বাচন। এর আগে ২৯ এপ্রিল সেখানে ভোট হয়েছিল। কিন্তু ভোট কারচুপি-সহ একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে ফলতায় পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। জানা যাচ্ছে, আজ ...
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ফলতায় পুনর্নির্বাচন। এর আগে ২৯ এপ্রিল সেখানে ভোট হয়েছিল। কিন্তু ভোট কারচুপি-সহ একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে ফলতায় পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। জানা যাচ্ছে, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ২০.৪৭ শতাংশ ভোট পড়েছে সেখানে। গোটা নির্বাচন পর্ব সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে মোট ৩৫ কোম্পানির বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে আজ।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাবচনে অন্য ছবি দেখেছে রাজ্যবাসী। সম্ভবত এই প্রথম কোনও নির্বাচন কেটেছে খুন, বোমা, গুলি ছাড়া। এমনকি হুমকি, ভয় দেখানো বা প্রভাবিত করার মত ঘটনাও এবার ঘটেছে হাতে গোনা। এমন বহু জায়গায় এবার নজিরবিহীন নির্বাচন হয়েছে, যেখানে ভোটের নাম শুনলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ত এলাকাবাসী। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশন যে ১০০-১০০ পেয়েই পাশ করেছে তা বলাই বাহুল্য। তবে সাময়িক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল গত ২৯ এপ্রিল ফলতায়। সেখানকার একাধিক বুথের ইভিএমে টেপ ও আতর লাগিয়ে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ তুলেছিলেন ভোটাররা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করেছিল কমিশন। তাতেই গোলযোগ ধরা পড়ে। এরপরই ফলতায় পুনর্নিবাচন ঘোষণা করা হয়।
বলে রাখা ভালো, ফলতা আসনে এবার বিজেপির কোনও প্রতিদ্বন্দ্বি নেই বললেই চলে। কারণ ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগেই তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ঘোষণা করেছেন তিনি লড়াইয়ে থাকছেন না। যদিও ইভিএমে রয়েছে তাঁর ছবি। আজ ২৮৫টি বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। সব বুথে রয়েছে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে রয়েছে কুইক রেসপন্স টিম।