রবিবার আটক হওয়া বাংলাদেশি ট্রলারকাণ্ডে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। রবীন্দ্র দাস নামে যে মৎস্যজীবীর কাছ থেকে দুই দেশের পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছিল, তিনি আসলে বাংলাদেশের বাসিন্দা বলেই প্রাথমিক তদন্তে জা...
রবিবার আটক হওয়া বাংলাদেশি ট্রলারকাণ্ডে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। রবীন্দ্র দাস নামে যে মৎস্যজীবীর কাছ থেকে দুই দেশের পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছিল, তিনি আসলে বাংলাদেশের বাসিন্দা বলেই প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের কুতুবদিয়া জেলায় বলে খবর সূত্রের। এমনকি সম্প্রতি শেষ হওয়া বাংলাদেশ নির্বাচনে তিনি ভোটদান করে ছিলেন বলেও খবর মিলেছে।
সূত্রের খবর, গত প্রায় তিন বছর ধরে হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার অন্তর্গত বসন্তপুর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন রবীন্দ্র দাস নামে ওই ব্যক্তি। তবে মাস ছয়েক আগে বাংলাদেশে নির্বাচনের আগেই তিনি নিজের দেশে ফিরে যান এবং সেখানেই ভোট দেন। এরপর গত রবিবার ফের ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার আগেই ভারতীয় উপকূল বাহিনীর হাতে আটক হন অভিযুক্ত মৎসজীবি। তাঁর কাছ থেকে ভারত এবং বাংলাদেশের সচিত্র পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই আটক ওই মৎসজীবীকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিস।
উল্লেখ্য, গত রবিবার রাতে 'এফবি সাগর' নামে একটি বাংলাদেশি ট্রলার ২৮ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে সীমান্তবর্তী জলসীমায় প্রবেশ করার চেষ্টা করে। আর সেই ট্রলারেই ছিলেন রবীন্দ্র দাস। এরপর ট্রলারটি বাজেয়াপ্ত হওয়ার পরই তাঁর পরিচয় ও নথি নিয়ে শুরু হয়ে শুরু হয়েছে জোর উত্তেজনা। কীভাবে দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ নথি এল তাঁর কাছে, তার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। পাশাপাশি রবীন্দ্রকে জাল নথি বানাতে কারা কারা সাহায্য করেছিল, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।