রাস্তার পাশে রাখা রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে আচমকা বিস্ফোরণ। মঙ্গলবারের এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে ৪ নাবালক। প্রত্যেকেই বিস্ফোরণের তীব্রতায় দগ্ধ হয়েছে। তবে রাস্তা মেরামতির কাজে ব্যবহৃত ওই ড্রামে কী থেকে বিস...
রাস্তার পাশে রাখা রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে আচমকা বিস্ফোরণ। মঙ্গলবারের এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে ৪ নাবালক। প্রত্যেকেই বিস্ফোরণের তীব্রতায় দগ্ধ হয়েছে। তবে রাস্তা মেরামতির কাজে ব্যবহৃত ওই ড্রামে কী থেকে বিস্ফোরণ ঘটল, তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনার তদন্তে নেমে এখনও কোনও ব্যক্তিকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি বলে খবর। অন্যদিকে আহত চার নাবালকের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা আরও জটিল হয়েছে বলে খবর হাসপাতাল সূত্রে।
মঙ্গলবার দুপুর ৩টে থেকে ৩:৩০-এর মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার ভাঙড় খরগাছি এলাকায় এই বিস্ফরণটি ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। যার জেরে গুরুতর জখম হয় চার নাবালক। আহত চারজনের মধ্যে একজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। তবে বাকি তিনজনকে ঘটনার দিনই বাঙ্গুর হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউ-তে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার এই বিস্ফোরণের পর থেকেই ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিস। শুরু হয়েছে তদন্ত। কিন্তু ঘটনার দুদিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কাওকে আটক বা গ্রেফতার করা যায়নি।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, আহত শিশুদের মধ্যে একজন ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে, অন্য আরেকজন ১৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় রয়েছে। তবে সাদিকুল আহমেদ নামে এক নাবালকের অবস্থা সবথেকে সঙ্কটজনক। তাঁর শরীর ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে বাকি দুই শিশুর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও এখনও বিপদ কাটেনি সাদিকুলের। তাকে বুধবার বিকেলেই হাসপাতালের 'ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে' স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে খবর সূত্রের। এই অবস্থায় ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এসেছেন। পাশাপাশি আহত নাবালকদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তাঁরা।
তবে সব মিলিয়ে গোটা ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয়রা। কেন রাস্তা তৈরির কাজে ব্যবহৃত দাহ্য পদার্থ এভাবে ফেলে রাখা হয়েছিল, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। কোন দাহ্য রাসায়নিক থেকে এই বিস্ফোরণ হয়েছে, তাও তদন্ত করছে পুলিস।