সরকার বদল হতেই ফের প্রকাশ্যে বিগত তৃণমূল সরকারের দূর্নীতি। আবাস যোজনার বাড়ি নেবেন না বলে বিডিওর কাছে লিখিত আবেদন জমা দিলেও পরবর্তীকালে জানা যায় তার আইডি ব্যবহার করে ঘর তোলা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, হাড...
সরকার বদল হতেই ফের প্রকাশ্যে বিগত তৃণমূল সরকারের দূর্নীতি। আবাস যোজনার বাড়ি নেবেন না বলে বিডিওর কাছে লিখিত আবেদন জমা দিলেও পরবর্তীকালে জানা যায় তার আইডি ব্যবহার করে ঘর তোলা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, হাড়োয়া থানার অন্তর্গত হাড়োয়া পঞ্চায়েতের আটঘড়া গ্রামে। আটঘড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাদের নামের আবাস যোজনার ঘর কারসাজি করে টাকার বিনিময়ে অন্য জনকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আবাস যোজনার টাকার ফিফটি-ফিফটি শেয়ার হয়েছে উপভোক্তা ও সুপারভাইজারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই হাড়োয়া থানায় অভিযুক্তদের শাস্তি ও ঘরের দাবি জানিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, হালিমা বিবি, সবিকুল ইসলাম মোল্লা,মহিবুল্লা সরদার সহ প্রায় ৮০ জন উপভোক্তাদের নাম, আই ডি ব্যবহার করে মোটা টাকার বিনিময়ে অন্য ব্যক্তিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকিয়ে সুপার ভাইজার ও সরকারি আধিকারিকরা প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ।
মহিবুল্লা সরদারের দাবি, তার নামে ঘর এলে তিনি বিডিও অফিসে লিখিত ভাবে জানান তিনি পাকা বাড়ি তৈরি করে ফেলেছেন তার সরকারী ঘরের কোনো প্রয়োজন নেই, তারপরও তার নামের ঘরের টাকা অন্য একজনের অ্যাকাউন্টে ঢোকানো হয়েছে।
পাশাপাশি, হালিমা বিবি নামে এক জনের নামের বাড়ির টাকা একই নামের অন্যজনকে দিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। আবাস যোজনার বাড়ির বরাদ্দ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা সুপারভাইজারকে কাটমানি দিতে হয়েছে বলেও প্রকাশ্যে এসেছে।
এইভাবে প্রায় ৮০ জন প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে অন্য জনকে কাটমানির বিনিময়ে ঘর পাইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি গ্ৰামবাসীদের। আবাস যোজনায় বঞ্চিত উপভোক্তাদের নিয়ে পাড়ায় শিবির করা হয়েছে। অভিযোগের পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত সুপারভাইজার। উল্লেখ্য, অভিযুক্ত সুপারভাইজারের দাবি,তাকে ফাঁসানো হয়েছে,তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মুচলেখা লেখানো হয়েছে, তিনি কোনো দুর্নীতি করেননি। আবাস যোজনার কোটি টাকার দুর্নীতির জেরে শোরগোল গোটা হাড়োয়ায়।