ভোটের কর্তব্য শেষ করে বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বিএলও। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার সকালে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন শম্পা লাই পরামাণিক'কে। ...
ভোটের কর্তব্য শেষ করে বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বিএলও। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার সকালে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন শম্পা লাই পরামাণিক'কে। ঘচনাকে কেন্দ্র শোকের ছায়া এলাকায়।
ঘটনায় পরিবারের দাবি, প্রথম দফার ভোটে প্রবল রোদ এবং গরমে দিনভর বুথের বাইরে বসে নিজের দায়িত্ব সামলেছিলেন বিএলও শম্পা। নির্বাচন কমিশনের তরফে পানীয় জল দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। এর মধ্য়েই কোনভাবে কাজ শেষ করেন শম্পা। কিন্তু বাড়ি ফিরেই অসুস্থ বোধ করতে থাকেন তিনি। এরপরেই আজ সকালে মৃত্য়ু হয় তাঁর।
জানা যাচ্ছে, বাড়িতে থাকাকালীন বেশ কয়েকবার বমি করেছিলেন শম্পা। সেই সময় চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে বাড়িতে রেখেই ওষুধ খাওয়ানো হয়। তবে শনিবার সকালে বাড়াবাড়ি অবস্থা হয় মহিলার। পরিস্থিতি খারাপ বুঝে পরিবারের লোকজন বাঁকুড়া শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু পথেই তাঁর মৃত্য়ু হয়। মৃতার স্বামী প্রসেনজিৎ পরামানিক বলেন, '২৩ এপ্রিল বুথের বাইরে দিনভর কার্যত রোদের মধ্যে বসে থেকে নিজের দায়িত্ব পালন করেছিল আমার স্ত্রী। কমিশনের তরফে ওআরএস এমনকি, পানীয় জলটুকুও তাঁকে দেওয়া হয়নি। ফলে ভোট মিটতেই অসুস্থ হয়ে পড়ে স্ত্রী। আজ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু রথেই মৃত্য়ু হয় ওঁর।'
এই অভিযোগ করেছেন মৃতার সহকর্মী রিঙ্কু রায় চন্দ। তাঁর দাবি, 'ভোটের দিন বিএলওদে-র প্রতি নির্বাচন কমিশনের অমানবিক আচরণের কারনেই প্রাণ দিতে হল শম্পাকে। ভোটের দিন ন্যূনতম সাহায্য এবং সহযোগিতা ছাড়াই আমাদের প্রবল রোদের মধ্যে দিনভর কাজ করতে হয়েছে। বসার জায়গার ব্য়বস্থাও করে দেওয়া হয়নি। পরে আমরা নিজেরা বেঞ্চ জোগাড় করি।'