বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলেও পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া সীমান্ত এলাকায় জামাতরা বিপুল ভোট পেয়েছে। যা নিয়ে যথেষ্ট চর্চাও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এমতাবস্থায়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিস্ফো...
বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলেও পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া সীমান্ত এলাকায় জামাতরা বিপুল ভোট পেয়েছে। যা নিয়ে যথেষ্ট চর্চাও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এমতাবস্থায়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিস্ফোরক দাবি,
"ওপারের জামাতদের জিতিয়েছে এপারের জামাত-২ তৃণমূল। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলাদেশের জামাত-১ এপারের তৃণমূলকে জিততে সাহায্য করবে"।
হিন্দুরা বিপন্ন ?
এদিন সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, " এপারের জামাত ওপারের জামাত মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছে। সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য জমি না-দিয়ে, এপারের জামাত ওপারের জামাতকে জিতিয়েছে। এপারের জামাত তৃণমূল। সঙ্গে এখন হুমায়ুন কবীর জুটেছে। এপ্রিলে বিধানসভা নির্বাচনে ওপারের জামাত তৃণমূলকে সাহায্য করবে। এটা এদের ঘোষিত অবস্থান। যা বাঙালি হিন্দুদের পক্ষে খুবই উদ্বেগজনক। কোচবিহারে সিতাই সীমান্ত থেকে শুরু করে, চাঁপাই নবাবগঞ্জ থেকে দিনাজপুর হয়ে, হিলি লাগোয়া রংপুর থেকে শুরু করে, পেট্রাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট জামাত পেয়েছে। ওই জামাতরা নারীর অধিকারে বিশ্বাস করে না, বোর্খা প্রথার পক্ষে থাকে। কিছুদিন আগে, হরিহর পাড়াতে খারিজি মাদ্রাসা থেকে এক জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছিল, যে আনসারুল বাংলার সঙ্গে যুক্ত। সে এখানে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছে, তিনবার ভোটও দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আসন্ন বিধানসভার ফলাফলের উপরে নির্ভর করবে আমাদের জাতীয় সুরক্ষা, হিন্দুদের সুরক্ষা । তাই পশ্চিমবঙ্গের রাষ্ট্রবাদীরা ঐক্যবদ্ধভাবে এপারের জামাত-২ কে পরাজিত করবেন, সেই বিশ্বাস আমাদের রয়েছে"।