২০১৬-র বিধানসভা ভোট। তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানীপুরে বিজেপির প্রার্থী চন্দ্র বসু।২০১৯-এর লোকসভা ভোট। তৃণমূলের মালা রায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী চন্দ্র বসু।বাঙালির আদর্শপ্রতিম ...
২০১৬-র বিধানসভা ভোট। তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানীপুরে বিজেপির প্রার্থী চন্দ্র বসু।
২০১৯-এর লোকসভা ভোট। তৃণমূলের মালা রায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী চন্দ্র বসু।
বাঙালির আদর্শপ্রতিম চরিত্র নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পৌত্র চন্দ্র বসু এদিন তৃণমূলে যোগ দিলেন। এবং দাবি করলেন, "(বিজেপিতে গিয়ে) ভুল করেছিলাম, সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চাই না"।
ভুল?
চন্দ্র বসুর বক্তব্য, "ব্রিটিশরা ডিভাইড অ্যান্ড রুল নীতিতে চলতো। বিজেপিও ঠিক সেইভাবেই বিভাজনের রাজনীতিতে চলছে। ভারতবর্ষের মূল শক্তি লুকিয়ে রয়েছে বহুত্ববাদের মধ্যে। ধর্মনিরপেক্ষতার মধ্যে। বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যই ভারতের আবহমান আদর্শ। নেতাজির আদর্শ মানে তাঁর মূর্তি স্থাপন নয়। তার ভাবনাকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আজাদহিন্দ ফৌজে কেউ হিন্দু ছিলেন না, কেউ মুসলমান ছিলেন না, সবাই ভারতীয় ছিলেন। দেশের উন্নতি জন্য যে-প্রকল্পই আনা হোক-না কেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না-থাকলে কোনওটাই কাজে আসবে না। ভেবেছিলাম নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবে। তাই বিজেপিতে গিয়েছিলাম। কারুকে অসম্মান করছি না। তবে বিজেপি যে বিভাজনের রাজনীতি করছে, তা নেতাজির আদর্শের সঙ্গে যায় না। এভাবে চললে ভারতবর্ষ খণ্ড-খণ্ড হয়ে যাবে"।
নেতাজির নীতি
"আমাকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, আজাদহিন্দ মোর্চা গঠন করা হবে এবং তার দায়িত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু তা হয়নি। কোনও কারণও জানানো হয়নি। নরেন্দ্র মোদী দিশা দেখিয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে"।
পর্যবেক্ষকরা মনে করাছেন, ২০২৩ সালে বিজেপির সংস্রব ত্যাগ করেন চন্দ্র বসু। তবে, বিধানসভা নির্বাচনের মুখে তাঁর তৃণমূলে যোগদান রাজনৈতিকভাবে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, বা আদৌ তাৎপর্যপূর্ণ কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল দু-ভাগে বিভক্ত।