নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে রাজধানীতে আন্দোলনরত ককরোচ পার্টির দাবি মেনে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ততক্ষণে ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসে, দাবিদাওয়ার পূরণ হওয়ার প্রতিশ্রু...
নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে রাজধানীতে আন্দোলনরত ককরোচ পার্টির দাবি মেনে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ততক্ষণে ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসে, দাবিদাওয়ার পূরণ হওয়ার প্রতিশ্রুতিতে আন্দোলন তুলে নিয়েছে ককরোচ পার্টি। এমতাবস্থায়, পচা শামুকে পা-কাটল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
পুলিস অনুমতি দেয়নি। এমনকি, কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত অনুমতি দেয়নি। কিন্তু তাই বলে কালীঘাট নাট্যকোম্পানির পথনাটিকা থেমে থাকবে কী করে? নিটকাণ্ডে পথে নেমে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং, পদ্মপুকুরের সেই সভাস্থল থেকে পুলিস আটক করল কালীঘাট-তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষকে। সঙ্গে আটক করা হল কালীঘাট শিবিরের বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কেও।
তারপর?
দলীয় কর্মীর দ্বিচক্রযানে চেপে নাটক শুরু করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর বললেন, পুলিসের এই আচরণ ‘বর্বরোচিত’। অন্যদিকে, লালবাজারের সামনে তখন ডেরেক ও’ব্রায়েনরা।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ক্ষমতা থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর দলকে চাঙ্গা করতে মমতার এই পথনাটিকা একেবারে মাঠে মারা গেল। কারণ, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন জেপি নাড্ডা। এমতাবস্থায়, মরা কোটালের সময়ে নৌকোয় চাপতে গিয়ে কাদায় পা-পড়ল মমতার। বলা ভালো, পচা শামুকে পা-কাটল কালীঘাটের সর্বেশ্বরীর।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার নিট-মিছিলকে কেন্দ্র করে কলকাতার ধর্মতলা চত্বর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। গণহারে প্রহার করা হয় সাংবাদিকদের। এমতাবস্থায়, শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রী জানান, যারা এর সঙ্গে যুক্ত তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। হাসপাতালে ভরতি সংবাদমাধ্যমের আহত কর্মীদের দেখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর এহেন বার্তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে হয়েছিল পর্যবেক্ষকদের । মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ধর্মতলাকাণ্ডে ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট ৭ টি মামলা হয়েছে। এই প্রথম অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। ছ-জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন"। অভিযুক্তদের মধ্যে ৫ জনের নামও জানান মুখ্যমন্ত্রী, "রাজাবাজারের আফরোজ, খিদিরপুরের নাহিদ, একবালপুরের তনবীর ও নিজাম, ওয়াটগঞ্জের জামাল। গুন্ডাদমন আইনে এমন ব্যবস্থা করব, যাতে করে ৩ পুরুষ ধরে মানে রাখে এরা। গুন্ডাদমন আইন কেন দরকার ছিল, মানুষ এবার তা বুঝতে পারবে”।