রাত পোহালেই ১৬ জেলায় প্রথম দফার ভোট। ১৫২টি আসনে চলবে ভোটগ্রহণ। জোরদার চলছে নজরদারি। টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রিসাইডিং অফিসারদের জন...
রাত পোহালেই ১৬ জেলায় প্রথম দফার ভোট। ১৫২টি আসনে চলবে ভোটগ্রহণ। জোরদার চলছে নজরদারি। টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি নির্বাচন কমিশনের। এই নিয়ম গুলো না মানলে প্রিসাইডিং অফিসারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি কমিশনের।
কমিশন সূত্রের খবর, সব বুথের প্রিসাইডিং অফিসারদের নিম্নলিখিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করে নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে—
১. ইভিএম-এর সব প্রার্থীর বোতাম স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকতে হবে এবং কোনো প্রার্থীর বোতাম টেপ, আঠা বা অন্য কোনো উপাদান দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না।
২. ভোটের গোপনীয়তা ভঙ্গ করার জন্য ব্যালট ইউনিটের প্রার্থীর বোতামে কোনো রং, কালি, সুগন্ধি বা অন্য কোনো রাসায়নিক প্রয়োগ করা যাবে না।
৩. এ ধরনের কোনো ঘটনা নজরে এলে প্রিসাইডিং অফিসার অবিলম্বে সেক্টর অফিসার বা রিটার্নিং অফিসারকে জানাবেন।
৪. এ ধরনের সব ঘটনা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর সাথে কারচুপি/হস্তক্ষেপ হিসেবে গণ্য হতে পারে, যা একটি নির্বাচনী অপরাধ।
৫. এ ধরনের কোনো ক্ষেত্রে ইসিআই পুনঃভোটের নির্দেশ দেওয়া-সহ ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না।
উল্লেখ্য, প্রথম দফার ভোটে লড়ছেন মোট ১৪৭৮ জন প্রার্থী। দিন কয়েক আগেই প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল নির্বাচন কমিশনকে। কেন অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে, সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। ওই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পারেনি কমিশন। এরপরই, অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে হাইকোর্ট। তবে, বলা হয় যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে ট্রেনিং নিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজ করতে পারেন।