বাংলার 'ভোট কালচার' এবার কি সত্যিই বদলাচ্ছে?নির্বাচন কমিশনের প্রতিটা পদক্ষেপ খুঁটিয়ে দেখে পর্যবেক্ষকরা তেমনটাই মনে করছেন। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে রাজ্যের পুলিস ঘেঁষতে পারবে না। বুথের রাশ পুরোপুরি কে...
বাংলার 'ভোট কালচার' এবার কি সত্যিই বদলাচ্ছে?
নির্বাচন কমিশনের প্রতিটা পদক্ষেপ খুঁটিয়ে দেখে পর্যবেক্ষকরা তেমনটাই মনে করছেন। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে রাজ্যের পুলিস ঘেঁষতে পারবে না। বুথের রাশ পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে ধরা থাকবে।
এদিন কন্ট্রোল রুম খুলল কমিশন। এবং, বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত যা জানালেন, তাতে করে এ নিয়ে আর কোনও সন্দেহের অবকাশ থাকল না যে, বাংলার 'ভোট কালচার' এবার কি সত্যিই বদলাচ্ছে।
কী বললেন সুব্রত গুপ্ত?
প্রতি বুথে ২ টি ক্যামেরা থাকবে।
বুথের ভিতর ১ টি, বাইরে ১ টি।
একটি ক্যামেরা বুথের লাইনের দিকে নজর রাখবে।
অন্যটি বুথের ভিতর পোলিং এজেন্ট, পোলিং স্টাফদের উপর নজর রাখবে।
কোনওবাবেই ভোটিং কম্পার্টমেন্টের ছবি উঠবে না। অর্থাৎ, ইভিএম-এর ছবি ওঠার কোনও সম্ভাবনাই থাকবে না। ফরে কে কোন প্রতীকে ভোট দিচ্ছেন, তা প্রকাশ্যে আসার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই।
কন্ট্রোল রুমে ৭২ টি স্ক্রিন থাকছে। একসঙ্গে ৫০০ টি বুথের ছবি দেখতে পারবেন ২০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার।
কোথাও এতকুটু সমস্যা হলেই এআই পপ আপ দিয়ে সতর্ক করবে।
সঙ্গে-সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিমের কাছে খবর পৌঁছবে। অনেক সময়ে খবর পেতে দেরি হয়, তাই পদক্ষেপ করতেও দেরি হয়। এবার তাই এই বন্দোবস্ত।
১০ টি টোল ফ্রি নম্বর থাকবে। চাইলে যে কেউ ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।
কন্ট্রোল রুমের অবজার্ভাররা সঙ্গে-সঙ্গে স্ক্রিনে দেখে নেবেন, অভিযোগ সত্যি কি না।
৭২ টি স্ক্রিনের বাইরেও ১৮ টি স্ক্রিন থাকবে। এসএসটি (স্ট্যাটিক সার্ভেলেইন্স টিম) আর এমএসটি (মুভিং সার্ভেলেইন্স টিম) কাজ করবে।
এদিন থেকেই এসএসটি ও এমএসটি কাজ শুরু হয়ে গেল।