রাজ্য রাজনীতির মানচিত্রে যখন প্রায় কোথাও বিজেপির অস্তিত্ব ছিল না, তখন বড়বাজারের পার্টি হিসেবে পরিচিত ছিল তারা। গত তিন-চারদশকে হুগলি নদীতে অনেক জল গড়িয়েছে। নদীর ওপারে পাটের কল বন্ধ হয়েছে আর খুলেছে। ...
রাজ্য রাজনীতির মানচিত্রে যখন প্রায় কোথাও বিজেপির অস্তিত্ব ছিল না, তখন বড়বাজারের পার্টি হিসেবে পরিচিত ছিল তারা। গত তিন-চারদশকে হুগলি নদীতে অনেক জল গড়িয়েছে। নদীর ওপারে পাটের কল বন্ধ হয়েছে আর খুলেছে। বাঙালি ও অবাঙালি জনবিন্যাস বদলেছে। বিজেপি এখন আর বড় বাজারের পার্টি নেই, তা উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। বাঙালির ডিএনএ-র রং লাল থেকে গেরুয়া হয়েছে কিছুটা হলেও। এমতাবস্থায়, রাজ্যের শাসক শিবিরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ: কীভাবে একইসঙ্গে বাঙালি অস্মিতায় শান দিয়ে বিজেপি-কে বহিরাগত দল বলেও কলকাতা থেকে কোচবিহার অবধি অবাঙালি ভোটারদের মন জয় করা যায়।
এই চ্যালেঞ্জ নিয়েই মাঠে নেমেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দল তৃণমূল কংগ্রেস। এবং, এদিন বড়বাজারের এক সভা থেকে হিন্দিতে বক্তৃতা করে ব্যবসায়ী সমাজের কাছে বার্তা দিলেন, আগুন লাগুক বা নোটবন্দি হোক, তিনিই পাশে থাকেন, তিনিই আগে আসেন। তাঁর কথায়, "এখানে ফায়ার স্টেশন ছিল না। পুলিশ স্টেশন ছিল না। সেটা আমি করে দিয়েছি। পোস্তা বাজারের জন্য আমি ব্যবসায়ীদের একটা কমিটি বানিয়ে দিয়েছি। এখানে পুরনো বাড়ি নিয়ে সমস্যা আছে। সেটা নিজেরাই ভালো করে তৈরি করে নেবেন। কোনো পুরোনো বাড়ি আপনারা (নতুন করে) তৈরি করতে চাইলে, পুরসভা আপনাদের সাহায্য করবে। বড়বাজার একটা আন্তর্জাতিক বাজার। যখন কোভিড হয়েছিল আমি বড়বাজার এসেছিলাম। আমি বলে ছিলাম দোকান কেন বন্ধ। দোকান খুলে দিন। নোট বন্দির সময় আমি আপনাদের কাছে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলাম, ভয় পাবেন না। আপনাদের ব্যবসা চালান"।