অবশেষে গ্রেফতার। NIA-এর জালে ধরা পড়ল ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা। শুক্রবার রাতে চিংড়িঘাটায় মাঝরাস্তা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের খবর, বাংলাদেশে পালানোর ছক করেছিল অভিযুক্ত তৃণম...
অবশেষে গ্রেফতার। NIA-এর জালে ধরা পড়ল ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা। শুক্রবার রাতে চিংড়িঘাটায় মাঝরাস্তা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের খবর, বাংলাদেশে পালানোর ছক করেছিল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা।
জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশে গা ঢাকা দেওয়ার সমস্ত ব্যবস্থাই করে ফেলেছিলেন শওকত। কিন্তু সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে তাড়া খেয়ে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায় তাঁর। এরপর আর পালানোর পথ না পেয়ে নিজেই নিউ টাউনের কেন্দ্রীয় সংস্থার দফতরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তার আগেই মাঝরাস্তা থেকে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। আজ, শনিবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের এনআইএ বিশেষ কোর্টে পেশ করা হবে ধৃত ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।
গত বৃহস্পতিবার শওকতের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনআইএ। কিন্তু সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না তিনি। সূত্রের খবর, এনআইএ আসার আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন শওকত। এমতাবস্থায় তৃণমূল নেতাকে না পেয়ে তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লাকে জিজ্ঞসাবাদ শুরু করে গোয়েন্দারা। ভাঙড়ের দক্ষিণ বামুনিয়া এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট আবহে ওই এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। যার জেরে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির পাশাপাশি জখম হন আরও বেশ কয়েকজন।
এই ঘটনায় আইএসএফ চেয়ারম্যান তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি এনআইএ তদন্তের দাবি জানান। সেই মোতাবেক শুরু হয় তদন্ত। গ্রেফতারও করা হয় বেশ কয়েক জনকে। তবে ফেরার ছিলেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। বিপদ আসন্ন বুঝে পালানোর চেষ্টাও করেছিলেন বাংলাদেশে। অবশেষে সব পরিকল্পনা বিফলে গেল। আত্মসমর্পণ করার আগেই গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের 'ওস্তাদ'।