শওকত মোল্লাই 'ভাঙড় বোমা বিস্ফোরণ মামলার মূল সন্দেহভাজন'। ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গ্রেফতারির পর প্রথম বিবৃতি প্রকাশ করল এনআইএ। সেখানে শওকতের গ্রেফতারির কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ...
শওকত মোল্লাই 'ভাঙড় বোমা বিস্ফোরণ মামলার মূল সন্দেহভাজন'। ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গ্রেফতারির পর প্রথম বিবৃতি প্রকাশ করল এনআইএ। সেখানে শওকতের গ্রেফতারির কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁকে বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূল চক্রী হিসাবেও চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
শনিবার দিল্লিতে সংস্থার সদর দফতরের তরফে একটি লিখিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে জানান হয়েছে, 'পলাতক শওকতকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে এনআইএ-এর ধারাবাহিক অনুসন্ধানের পর গ্রেফতার করা হয়। মামলাটির তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেশি বোমা তৈরির সময় একটি বিস্ফোরণ ঘটেছিল। ওই বিস্ফোরণে বোমা প্রস্তুতকারীদের একজন নিহত হন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছিলেন'।
বিজ্ঞপ্তিতে এনআইএ-র তরফে আরও বলা হয়েছে, এই মামলার চতুর্থ অভিযুক্ত হলেন ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত। তিনিই এই ঘটনার 'মূল ষড়যন্ত্রকারী' ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিবৃতি অনুযায়ী, অকুস্থলের তথ্য প্রমান নষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন শওকত।
বলে রাখা ভালো, গত বৃহস্পতিবার শওকতের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনআইএ। কিন্তু সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না তিনি। সূত্রের খবর, এনআইএ আসার আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন শওকত। এমতাবস্থায় তৃণমূল নেতাকে না পেয়ে তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লাকে জিজ্ঞসাবাদ শুরু করে গোয়েন্দারা। ভাঙড়ের দক্ষিণ বামুনিয়া এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট আবহে ওই এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। যার জেরে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির পাশাপাশি জখম হন আরও বেশ কয়েকজন।