মে মাসের পয়লা তারিখেই একধাক্কায় ৯৯৪ টাকা দাম বেড়েছে এলপিজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের। যার জেরে সিলিন্ডার প্রতি নতুন দাম ধার্য হয়েছে ৩২০২ টাকা। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত উঠেছে ছোট ব্যবসায়ীদের। রী...
মে মাসের পয়লা তারিখেই একধাক্কায় ৯৯৪ টাকা দাম বেড়েছে এলপিজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের। যার জেরে সিলিন্ডার প্রতি নতুন দাম ধার্য হয়েছে ৩২০২ টাকা। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত উঠেছে ছোট ব্যবসায়ীদের। রীতিমত ব্যবসা চালিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন চ্যালেঞ্জ তাঁদের কাছে।
অন্যদিকে জ্বালানির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চিন্তায় পড়েছে বহু সাধারণ মানুষও। বিশেষ করে যারা খাদ্যরসিক। সপ্তাহে একবার অন্তত বাইরে খেতে পছন্দ করেন। অথবা সময় পেলেই বাইরের চপ, কচুরি, কাটলেট...। প্রত্যেকের কপালেই চিন্তার ভাঁজ। পাছে পছন্দের খাবারের দাম বেড়ে গেলে! অন্যদিকে খাবারের দাম বাড়াতেও ভয় পাচ্ছেন রেস্তোরা ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশ। তাদের আশঙ্কা, আচমকা খাবারের দাম বাড়িয়ে দিলে গ্রাহকে টান পড়বে। ফলে বিপত্তি বাড়বে বই কমবে না। এমতাবস্থায় কেন্দ্র সরকারের দিকেই তাকিয়ে দেশের আম জনতা।
বিশেষজ্ঞদের মতে শহুরে ব্যবসায়ীরা কোনও উপায়ে টিকে থাকতে পারলেও, বেশি বিপাকে পড়বে গ্রাম এবং জেলার ছোট ব্যবসায়ীরা। বাঁকুড়ার একাধিক হোটেল ব্যবসায়ীরা রীতিমত রান্নার ব্যবসা বন্ধ করার পরিকল্পনা শুরু করেছেন। তাঁদের একজনের কথায়, 'এইভাবে আমরা দোকান চালাতে পারবো না। খুব সমস্যায় পড়েছি আমরা। খাবারের দাম বাড়ালে গ্রাহক আসবে না। অন্য কাজ করা ছাড়া উপায় নেই।'
বলে রাখা ভালো, মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ক্রমে উর্ধমুখী হয়েছে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম। এর আগে জানুয়ারি মাসে ৪৯ টাকা ৫০ পয়সা, ফেব্রুয়ারিতে ৩১ টাকা, মার্চে ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা এবং এপ্রিল মাসে ২১৮ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। তবে এবার সব সীমা পার করে একধাক্কায় প্রায় হাজার টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম। এমতাবস্থায় এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ছে হোটেল, রেস্তরাঁ, ক্যাটারিং এবং রাস্তার খাবারের ব্যবসার উপর। কারণ এই ক্ষেত্রগুলোতেই ১৯ কেজির ব্যবসায়িক সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়।