রাস্তার পাশে রাখা রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে আচমকা বিস্ফোরণ। ঘটনায় গুরুতর আহত ৩ নাবালক। প্রত্যেকেই বিস্ফোরণের তীব্রতায় দগ্ধ হয়েছে বলে খবর সূত্রের। তবে রাস্তা মেরামতির কাজে ব্যবহৃত ওই ড্রামে কী থেকে বিস্ফোর...
রাস্তার পাশে রাখা রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে আচমকা বিস্ফোরণ। ঘটনায় গুরুতর আহত ৩ নাবালক। প্রত্যেকেই বিস্ফোরণের তীব্রতায় দগ্ধ হয়েছে বলে খবর সূত্রের। তবে রাস্তা মেরামতির কাজে ব্যবহৃত ওই ড্রামে কী থেকে বিস্ফোরণ ঘটল, তা এখনও জানা যায়নি। অন্যদিকে আহত তিন নাবালকের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।
জানা যাচ্ছে, ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার ভাঙড় খরগাছি এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুর ৩টে থেকে ৩:৩০-এর মধ্যে এই বিস্ফরণটি ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। যার জেরে গুরুতর জখম হয়ে তিন নাবালক বর্তমানে বাঙ্গুর হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউ তে ভর্তি। তবে কীভাবে এই বিস্ফোরণ তা এখনও স্পষ্ট না। গতকাল এই বিস্ফোরণের পর থেকেই ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিস। শুরু হয়েছে তদন্ত। এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই জোরালো ছিল যে আশপাশের কয়েকটি বাড়িতেই আগুন ধরে যায়।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, আহত শিশুদের মধ্যে একজন ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে, অন্য আরেকজন ১৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় রয়েছে। তবে সাদিকুল আহমেদ নামে এক নাবালকের অবস্থা সবথেকে সঙ্কটজনক। তাঁর শরীর ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে বাকি দুই শিশুর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলেও এখনও সঙ্কট কাটেনি সাদিকুলের। এই অবস্থায় ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এসেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি আহতদের পরিবারের পাশে আছেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে সব মিলিয়ে গোটা ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে গ্রামবাসী। কেন রাস্তা তৈরির কাজে ব্যবহৃত দাহ্য পদার্থ এভাবে ফেলে রাখা হয়েছিল, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখতে কলকাতা পুলিসের বোমা স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে। কোন দাহ্য রাসায়নিক থেকে এই বিস্ফোরণ হয়েছে, তাও তদন্ত করছে পুলিস।