'বাহিনী'র দাপটে ছত্রভঙ্গ তৃণমূলের বাইকবাহিনী! দুপুর ১ টার মধ্যে ৬২ শতাংশ ভোটের নজিরবিহীন নজির! টসে জিতে ব্যাট করছে বিরোধীরা। এবং, প্রাণপণে পালাতে দেখা যাচ্ছে শাসকশিবিরের নেতাকর্মীদের।রিভার্স সুইং?&n...
'বাহিনী'র দাপটে ছত্রভঙ্গ তৃণমূলের বাইকবাহিনী! দুপুর ১ টার মধ্যে ৬২ শতাংশ ভোটের নজিরবিহীন নজির! টসে জিতে ব্যাট করছে বিরোধীরা। এবং, প্রাণপণে পালাতে দেখা যাচ্ছে শাসকশিবিরের নেতাকর্মীদের।
রিভার্স সুইং?
রিভার্স সুইং! টসে জিতে বিরোধীরা এবার ব্যাট করছে। এবং, চালিয়ে খেলছে। অন্যদিকে, হাওয়া ভালো নয় বুঝে প্রাণপণে দৌড় লাগিয়ে পালাতে দেখা যাচ্ছে শাসকদলের নেতাকর্মীদের। উত্তরবঙ্গের তুফানগঞ্জ থেকে শুরু করে বাঁকুড়ার কোতুলপুর, বীরভূমের নানুর, সর্বত্র বুথের কাছে তৃণমূলের বাইকবাহিনী ও জটলাকে মেরে হটিয়ে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিস।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ কমিশন?
রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে প্রবল উৎসাহ। মাত্র ঘণ্টাচারেকের মধ্যে ৪১ শতাংশ ভোট! দুপুর ১ টার মধ্যে ৬২ শতাংশ ভোট! নজিরবিহীন এবং নজিরবিহীন। বলছেন পর্যবেক্ষকরা।
পর্যবেক্ষকদের বক্তব্য, ভোটাররা যখন হাজারে-হাজারে বুথমুখী হন, লাইনে দাঁড়ান, তখন তা শাসকদলের পক্ষে অশুভ ইঙ্গিত দেয়। তাছাড়া,
কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া দুপুর একটা অবধি প্রথম দফার ভোট মোটের উপর অবাধ ও শান্তিপূর্ণ। পর্যবেক্ষকদের কথায়: ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে, দ্বিতীয় দফার ভোট প্রচারে বাংলায় এসে নরেন্দ্র মোদী অহিংস ভোটের কৃতিত্ব কমিশনকে দিয়ে বললেন, " ৫০ বছরে সবচেয়ে কম ভোট হিংসা এবার। বাংলার মানুষ এবার ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিচ্ছেন।"
রাজনৈতিক মহলে একাংশ মনে করছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্য পুলিস যে এবার শাসকদলকে রেয়াত করবে না, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। আসানসোলে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ঢুকে ঘাড় ধরে তৃণমূল কর্মীদের বার করে এনে সোজা গাড়িতে তুলেছে পুলিস। সবং-এ বিরোধীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তৃণমূলের এক ছোট নেতাকে বিরাশি সিক্কার থাপ্পড় কষিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্তা। সমাজমাধ্যমে তা উচ্ছ্বসিত প্রশংসিত হয়েছে।
পালাচ্ছে তৃণমূল
মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষ তৃণমূলের ভুয়ো এজেন্টকে পাকড়াও করলেন। পালাতে পথ পেলেন না সেই যুবক। মুর্শিদাবাদের ডোমকলে মার খেয়ে পাল্টা মার মেরেছে সিপিএম। তুফানগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী তাড়া করলেন এক তৃণমূল কর্মীকে। প্রাণপণে পালাতে থাকলেন সেই কর্মী। বিজেপি প্রার্থীর মুখে শুধু শোনা গেল, "এত সাহস, আমাদের এজেন্টকে বসতে দেবে না"।
এবং, অধীর চৌধুরীর বহরমপুরে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ভোটাররা উৎসবের মেজাজে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন। লোকসভার ভোটে যে-ভুল হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি চান না বহরমপুরের মানুষ? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে মে মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত।