রাজ্যের বহু মহিলা ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ন যোজনার আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। কিন্তু যারা এখনও পাননি তাঁরা পড়েছেন চিন্তায়। আদৌ টাকা ব্যাঙ্কে ঢুকবে কিনা, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে বিষয়...
রাজ্যের বহু মহিলা ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ন যোজনার আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। কিন্তু যারা এখনও পাননি তাঁরা পড়েছেন চিন্তায়। আদৌ টাকা ব্যাঙ্কে ঢুকবে কিনা, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে বিধায়কদের আসরে নামার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ, শনিবার পরিষদীয় দলের বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনাও করেছেন তিনি।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীরাও বিতর্ক তৈরি চেষ্টা করছে। এই তালিকায় এমন কিছু নাম নথিভুক্ত হয়েছে, যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় আসার কথা নয়। পারিবারিক আয় ১ লক্ষ টাকারও বেশি এরকমও অনেক নাম এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। আবার যাঁদের পাওয়ার কথা সেরকম অনেক নামও বাদ চলে গিয়েছে। শুধুমাত্র আধিকারিকদের উপরে ভরসা করলে হবে না। বিধায়কদের দায়িত্ব নিতে হবে এই তালিকার সংযোজন ও বিয়োজনে।' এক কথায় দলের বিধায়কদের নিজেদের বিধানসভা এলাকার কাজ দেখার পাশাপাশি এবার থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে বলেই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনী ইস্তেহারে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় আশ্বাস দিয়েছিল বিজেপি সরকার। বলা হয়েছিল সরকারি এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা পাবেন রাজ্যের মহিলারা। এরপর ক্ষমতায় এসেই সেই আশ্বাস পূরণে তোড়জোড় শুরু হয় প্রশাসনিক মহলে। শুরু হয় আবেদন পূরণ ও যাচাই প্রক্রিয়া। এরপর গত জুলাই মাসেই অন্নপূর্ণা যোজনার আনুষ্ঠানিক সূচনা করে সরকার। ৩ হাজার টাকা পৌঁছে যায় মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। তবে ফর্ম পূরণ করেও এখনও টাকা পাননি এমন বহু মহিলাও রয়েছে। এই অবস্থায় তাঁরা কেন বঞ্চিত হয়েছেন তার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের দায়িত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।