ফের ফর্মে ফিরছেন অনুব্রত মণ্ডল?তিহারে আহার-বিহারের পর বোলপুলের নিচুপট্টির বাড়িতে যেদিন ফিরলেন অনুব্রত মণ্ডল, তখন তাঁর শরীরী-ভাষা পুরো বদলে গিয়েছিল। পর্যবেক্ষকদের মনে হয়েছিল, এ-অনুব্রত আর সেই অনুব্র...
ফের ফর্মে ফিরছেন অনুব্রত মণ্ডল?
তিহারে আহার-বিহারের পর বোলপুলের নিচুপট্টির বাড়িতে যেদিন ফিরলেন অনুব্রত মণ্ডল, তখন তাঁর শরীরী-ভাষা পুরো বদলে গিয়েছিল। পর্যবেক্ষকদের মনে হয়েছিল, এ-অনুব্রত আর সেই অনুব্রত নন, যে-অনুব্রতর হুমকি-ভাষণ একদা প্রবল জনপ্রিয় হয়েছিল। এদিকে ততদিনে জেলায় শাসকদলের সমীকরণ সব ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে। দলের ভিতর অনুব্রত-র প্রবল প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ, পঞ্চায়েত ভোটের পর জেলা সভাধিপতি হয়েছেন। অন্যদিকে, অনুব্রত-অনুগামীরা জেলায় ক্রমশ কোণঠাসা হয়েছেন।
তারপর?
ছাব্বিশের বিধানসভার অকালবোধন হয় চলতি বছরের মাঝামাঝি। দলের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান থেকে নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করতে বোলপুর থেকে অনুব্রতকে বলতে শোনা যায়, এবার লড়াই খুব টাফ। এরপর, একে-একে জনসভায় দেখা যায় তাঁকে। আর, তারই ধারাবাহিকতায়, সিউড়ির করিধ্যা গ্রামের এক সভায় একেবারে আগের ফর্মে দেখা গেল অনুব্রতকে। একদা যিনি পুলিসের জিপে বোমা মারার কথা বলেছিলেন, বিরোধীদের পাচন-দাওয়াই দেওয়ার কথা বলেছিলেন, সেই অনুব্রতকে এবার বলতে শোনা গেল, "যেখানে কোনও বাংলাদেশি নেই, রোহিঙ্গা নেই, মায়ানমারের লোক নেই। অসমে লোকেদের জেলে ভরে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। এখানে পারবে না। এখানে মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভেবেছে অসমের মতো এখানেও একই কাজ করবে। সে গুড়ে বালি। আমরা লড়াই করতে ভয় পাইনা। বামফ্রন্টকে তাড়িয়েছি এখান থেকে। এসআইআর করতে দেবো না। এনআরসি করতে দেবো না। কেউ জেলে থাকবে না। সবাই পশ্চিম বাংলার মাটিতে থাকবে। ১৯৫২ সালের ভোটার লিস্টে আমার দাদুর নাম বাবার নাম আছে। আমাকে তাড়িয়ে দেবে, তুমি কোন হরিদাস পাল? ছাব্বিশের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ২৩০ টা আসন নিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হবে"
ফের ফর্মে ফিরছেন অনুব্রত?