শীতলকুচিতে সভা করতে এসে একুশের স্মৃতি উস্কে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে 'বিজেপির সাগরেদ' বললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাঁচবছর আগে, বিধানসভা ভোটের জোড়পাটকিতে কেন্দ্রীয় বাহ...
শীতলকুচিতে সভা করতে এসে একুশের স্মৃতি উস্কে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে 'বিজেপির সাগরেদ' বললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাঁচবছর আগে, বিধানসভা ভোটের জোড়পাটকিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল ৪ জনের। যা নিয়ে এখনও রাজনীতির পারদ চড়ে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় বাহিনী
বাংলায় এবার ভোটের মুখে নজিরবিহীনভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ শুরু করেছে। নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই চলে এসেছে প্রায় ৫০০ কোম্পানি বাহিনী। দু-দফার ভোটে প্রতি দফায় কমবেশি আড়াইহাজার কোম্পানি বাহিনী থাকবে। বুথের নিয়ন্ত্রণও থাকবে বাহিনীর হাতে। কমিশনের যুক্তি, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে এবার বদ্ধপরিকর তারা। এমতাবস্থায়, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মা-বোনেদের প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন। এবং, যা নিয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছে বিজেপি। এবার, খাস শীতলকুচি থেকে পাঁচবছর আগের স্মৃতি উস্কে দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও বাহিনীকে এক হাত নিলেন।
কী বললেন অভিষেক?
"গত একুশের ভোটে নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী, বিজেপির সাগরেদরা বন্দুকের নল দিয়ে মানুষের রক্ত হাতে মেখে, নিরীহ ৪ জন ভোটারকে দিনের আলোয় গুলি করে শীতলকুচি দখল করেছিল। সেই দিন, সেই ঘটনা, সেই দৃশ্য, আজও আমরা কেউ ভুলিনি। পরেরদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শীতলকুচির মাটিতে ছুটে এসেছিলেন। ৪ জনকে প্রকাশ্য দিবালোকে, ক্ষমতার নেশায় ও মোহতে, ক্ষমতা দখল করার লোভে, গুলি করে মেরেছিল এই অমিত শাহের কেন্দ্রীয় বাহিনী আর নির্বাচন কমিশন। গত লোকসভা নির্বাচনে এই শীতলকুচিতে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী এখান থেকে ১৭ হাজারের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। আজকে যতজন এই সভায় উপস্থিত হয়েছেন, তাঁরা যদি ভোটের দিন বুথে গিয়ে ভোট দিয়ে আসেন, বিজেপির কারুকে আগামী ১০ বছরে অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না"।