বাংলার 'ভোট কালচার' এবার পাল্টাবে, তা শুরুতেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। এবং, প্রথম দফার ভোট অতিক্রম করে দ্বিতীয় দফায় প্রবেশের মুখে, নাগরিক সমাজের একটা বড় ...
বাংলার 'ভোট কালচার' এবার পাল্টাবে, তা শুরুতেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। এবং, প্রথম দফার ভোট অতিক্রম করে দ্বিতীয় দফায় প্রবেশের মুখে, নাগরিক সমাজের একটা বড় অংশই কমিশনের ছাপ্পা-প্রতিষেধকের ভূয়সী প্রশংসা করছে। সূত্রের খবর, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট সুনিশ্চিত করতে বাজি ধরেছিলেন সুব্রত গুপ্তকেই। কারণ, আমলা মহলে তাঁর সততা ও দক্ষতা প্রশ্নাতীত। পদের লোভে পদস্খলন তাঁর ধাতে নেই। দ্বিতীয় পর্বের ভোটের আগের দিন সেই সুব্রত গুপ্তকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলেন, কেউ ছাপ্পা দিতে এলে, কী বলবেন? প্রশ্ন শুনে প্রথমে হাসলেন এবং পরে হাসতে-হাসতেই যা বলার তা বলে দিলেন। এবং, বুঝিয়ে দিলেন: সাধু সাবধান, ও-পথে যেয়ো না।
কী বললেন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক?
" আমরা বারবার অনুরোধ করছি সবাইকে, এই অ্যাডভেঞ্চার করবেন না দয়া করে। কারণ, এবারে যে-ওয়েবক্যামের ব্যবস্থা করেছি আমরা, কেউ যদি ভুয়ো ভোট দেন বা একাধিকবার ভোট দেন, তাহলে তাঁর ছবি আমাদের মেমরি-চিপে থেকে যাবে। ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পর তাঁকে চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী মামলা করব। এবং এর শাস্তি হল ১ বছর পর্যন্ত জেল"।
অনেককেই তো গ্রেফতার করা হল, এবার? কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকের উত্তর, "যাঁরা গ্রেফতার হননি তাঁরা এবার তৈরি থাকুন"।
এরপর তাঁর সংযোজন, "আর একটা বিষয় বলবো, কালকে কেউ যদি গন্ডগোল করেন, তেমন অভিপ্রায় যদি কারুর থেকে থাকে, তার থেকে বিরত থাকুন। কারণ, গ্রেফতার করা হলে যে ধারায় মামলা হবে, সেই ধারার মুখোমুখি হতে হবে"।
খুলে না-বললেও তিনি বুঝিয়ে দিলেন, সহজ ধারায় নয়, একেবারে জামিন অযোগ্য কঠোর ধারায় মামলা করা হবে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে।