হারাধনের যে-কয়েকটি ছেলে রয়েছে, তারাও এবার নিজেদের মধ্যে খেয়োখেয়ি শুরু করে দিল? একুশে তৃণমূলের সভায় মমতা-কল্যাণের অদৃশ্য দ্বৈরথের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন তুলছে রাজনৈতিক মহল।বাংলায় ভোটপর্ব মিটে গিয়েছে আড়াই...
হারাধনের যে-কয়েকটি ছেলে রয়েছে, তারাও এবার নিজেদের মধ্যে খেয়োখেয়ি শুরু করে দিল? একুশে তৃণমূলের সভায় মমতা-কল্যাণের অদৃশ্য দ্বৈরথের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন তুলছে রাজনৈতিক মহল।
বাংলায় ভোটপর্ব মিটে গিয়েছে আড়াই মাস হল। এমতাবস্থায়, রাজ্যের রাজনৈতিক শিবিরে ঘটনার ঘনঘটা ঘটে চলেছে। তৃণমূল কংগ্রেস তিনভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে, কালীঘাট-তৃণমূল, ঋতব্রত-তৃণমূল, কাকলি-তৃণমূল। এমতাবস্থায়, থেকে-থেকে হুঙ্কার ছেড়েছেন মমতাপন্থী তৃণমূল নেতা ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রীকে বার্তা দিচ্ছেন, হয় অভিষেক থাকবেন নয় তিনি থাকবেন দলে। যদিও, নেত্রী তাতে কর্ণপাত করছেন না, বরং, অভিষেকের হয়ে ব্যাট করেছেন। এমনই এক টালমাটাল পরিস্থিতিতে, একুশে জুলাই শহিদ দিবসের সভা করতে হয়েছে তারামণ্ডলের সামনে, এতকালের ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বর ছেড়ে দিয়ে। এমতাবস্থায়, একুশের মঞ্চে কল্যাণের দীর্ঘ বক্তৃতা নিয়ে সমস্যা শুরু হয়। অনেকদিন পরে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ পেয়ে কল্যাণ নাকি টানা সাড়ে ২২ মিনিট টানা বক্তৃতা করেছেন। যে কারণে, অন্যান্যরা ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পাননি। এমতাবস্থায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিতিবিরক্ত হয়ে কল্যাণকে থামতে বললে, কল্যাণ নাকি অসন্তুষ্ট হন। নিজের বক্তব্য শেষ করে গটগটিয়ে স্টেজ থেকে নেমে গাড়িতে চেপে নিজের বাড়ি অভিমুখে রওনা দেন কল্যাণ। মঞ্চে তখনও নেত্রী বক্তব্য রাখেননি!
নেত্রীর বক্তব্য না-শুনেই চলে গেলেন? জরুরি কাজ ছিল? এতই জরুরি কাজ ছিল? তেমনটা বলা হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু, দিব্যি বোঝা যাচ্ছে, ‘তেমনটা’ কিন্তু নয়।