বাংলায় কোনওরকম অশান্তি হবে না। আশ্বাস মিলেছিল কমিশনের তরফে। কিন্তু জ্ঞানেশ কুমারের মুখের কথা মুখেই রয়ে গেল, এদিকে ভোটের ২ দিন আগে কোল খালি হয়ে গেল এক মায়ের। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম রাজনৈতিক হিংসার বলি উত্তর...
বাংলায় কোনওরকম অশান্তি হবে না। আশ্বাস মিলেছিল কমিশনের তরফে। কিন্তু জ্ঞানেশ কুমারের মুখের কথা মুখেই রয়ে গেল, এদিকে ভোটের ২ দিন আগে কোল খালি হয়ে গেল এক মায়ের। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম রাজনৈতিক হিংসার বলি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে।
পরিবার সূত্রে খবর, সোমবার সকাল থেকেই বাম কর্মী নূর আজম বাড়িতে ছিলেন না। সন্ধ্যায় যখন বাড়ি ফেরেন, তখন অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাড়িতে ঢুকেই তিনি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন এবং ভাঙচুর চালান ঘরের ভিতর। অবস্থা বেগতিক দেখে পরিবারের লোকজন দ্রুত ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। সোমবার রাতেই, তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে মৃতের পরিবার। শুধু তাই নয়, সেই খুনের ঘটনায় নূর আলম নামে এক তৃণমূল কর্মীর নামও উঠে আসে।
মঙ্গলবার, মৃত নুর আজমের বাড়িতে যায় তৃণমূল প্রার্থী কানাইয়ালাল আগরওয়াল ও সিপিএম প্রার্থী সামি খান। তাঁদেরকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে মৃতের পরিবার। এরইমাঝে, অভিযোগের সুর বদলে যায় মৃতের পরিবারের তরফে। মঙ্গলবার সকালে, মৃতের দাদা দাবি করেন এই ঘটনায় কোনও রাজনীতির রং নেই। তবে তিনি এও বলেন, বামেদের মিছিলে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার পর থেকে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল তৃণমূলের তরফে।
নূর আজম সিপিএম করত, তাই তাঁকে খুন করা হয়েছে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দার। শুধু তাই নয়, নূর আজমকে খুন করেছে তৃণমূল কর্মী নূর আলম, বিস্ফোরক অভিযোগ স্থানীয়দের। এদিকে, গোটা ঘটনায় তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। মৃত নূর আজম তৃণমূলের বুথ লেভেল এজেন্ট ছিল বলে দাবি করেন কানাইয়ালাল আগরওয়াল।
তৃণমূল প্রার্থী মিথ্যা কথা বলছেন, অভিযোগ তুলে সরব সিপিএম প্রার্থী সামি খান। কী হয়েছিল নূর আজমের সঙ্গে? আদৌ কি জানা যাবে প্রকৃত সত্য? ইতিমধ্যেই, গোটা ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জলঘোলা। এখন দেখার, নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেয়।