বসত বাড়িতে বেআইনি ভাবে মদ মজুত করে রাখার অভিযোগ। মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লক্ষাধিক টাকার মদ উদ্ধার করে পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সঙ্গে ছিল আবগারি দফতরের অধিকারিকরাও। গতকাল ঘটনা...
বসত বাড়িতে বেআইনি ভাবে মদ মজুত করে রাখার অভিযোগ। মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লক্ষাধিক টাকার মদ উদ্ধার করে পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সঙ্গে ছিল আবগারি দফতরের অধিকারিকরাও। গতকাল ঘটনাকে কেন্দ্র ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ভোট আবহে ঠিক কী উদ্দেশ্যে ওই বিপুল পরিমাণ মদ মজুত করে রাখা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট না। ঘটনার তদন্ত করে দেখছে পুলিস।
জানা যাচ্ছে, ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান জেলার তেজগঞ্জ এলাকায়। সেখানকার বাসিন্দা সুশোভন অধিকারীর বাড়িতে গতকাল রাতে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিস। গোপন সূত্রে তারা খবর পায় ওই বাড়িতে কয়েক লক্ষ টাকার মদ মজুত করে রাখা হয়েছে। আর খবর মিলতেই আবগারি দফতরের আধিকারিক-সহ পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা হানা দেয় সেই বাড়িতে। এরপর তল্লাশি শুরু হতেই উদ্ধার হয় এক ঘর ভর্তি মদের বাক্স। সূত্রের খবর, দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে মোট ২৫ লক্ষ টাকার মদ উদ্ধার হয়েছে সুশোভন অধিকারীর বাড়ি থেকে।
এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, কোন উদ্দেশ্যে এই বিপুল পরিমাণ বেআইনি মদ মজুত করা রাখা হয়েছিল বাড়িতে? কোথা থেকেই বা আনা হয়েছিল বাক্স গুলো? নির্বাচন আবহে প্রভাব খাটানোর জন্য নাকি, অবৈধ পাচারই ছিল উদ্দেশ্য? তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস। তবে এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি।
প্রসঙ্গত, ১৩৫ (সি) ধারা অনুযায়ী, ভোটের সময় ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও হোটেল, রেস্তরাঁ, দোকানে মদ বিক্রি করা উচিত নয়। সেকথা মাথায় রেখেই ভোটগ্রহণ এবং ভোটগণনার সময় ৪৮ ঘণ্টা সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি এই নির্দেশিকা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বসত বাড়ি থেকে মদ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে চর্চা।