সোমবার মধ্যাহ্নে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জিতে এসআইআর মামলার শুনানি হতে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে, তখন পূর্বাহ্নে নির্বাচন কমিশনের উপর পাল্টা চাপ তৈরি করে রাজ্য বিজেপির সভাপতি স্পষ্ট জানিয়ে দি...
সোমবার মধ্যাহ্নে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জিতে এসআইআর মামলার শুনানি হতে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে, তখন পূর্বাহ্নে নির্বাচন কমিশনের উপর পাল্টা চাপ তৈরি করে রাজ্য বিজেপির সভাপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, "নো এসআইআর নো ভোট"। এবং আবারও তিনি দাবি করলেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উচিত বাংলায় এসে সরজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা।
পর্যবেক্ষকরা মনে করাচ্ছেন, এর আগেও একই দাবি করেছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্যে যখন শুনানি-পর্ব চলছে, জেলায়-জেলায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ হচ্ছে, তখন রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়েই শমীক বলেছিলেন, "জ্ঞানেশ কুমার কলকাতায় আসুন, রাজপথে হাঁটুন, মেট্রোরেলে চড়ুন, মুর্শিদাবাদে যান। মানুষ কী বলতে চাইছে শুনুন"।
রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বাংলায় শাসকদল শুনানি-পর্বে রীতিমতো চাপে রেখেছে নির্বাচন কমিশনকে। এমতাবস্থায়, সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে গিয়ে নজিরবিহীনভাবে সওয়াল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। এমতাবস্থায়, তৃণমূল যেভাবে কমিশনের স্নায়ুর চাপ বাড়াচ্ছে, তাতে করে মাঝপথে যাতে রণে ভঙ্গ না-দেয় কমিশন, সেই উদ্দেশ্যেই শমীকের পাল্টা চাপ। ইতিমধ্যেই ৭ দিন শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তা যদি হয়, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশও পিছিয়ে যেতে বাধ্য। এমতাবস্থায় সূত্রের খবর, 'সন্দেহজনক' যে-বিপুল সংখ্যক নামের পাশে লাল ঢ্যাঁড়া পড়েছে, পুনর্যাচাই না-করেই তাঁদের নাম রেখে দিতে চাইছে কমিশন। এবং, সেই কারণেই রাজ্য বিজেপির সভাপতির পাল্টা চাপ, "নো এসআইআর নো ভোট"। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, শমীকের কথায় যা উহ্য রয়েছে তা হল, যথাযথভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না-করে, মাঝপথে হাল ছেড়ে দিয়ে ত্রুটিপূর্ণ তালিকা প্রকাশ যেন না-প্রকাশ করে কমিশন।