ভবানীপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে রণক্ষেত্রের ঘটনায় এবার সরাসরি বিজেপি-র শীর্ষ নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে অমিত...
ভবানীপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে রণক্ষেত্রের ঘটনায় এবার সরাসরি বিজেপি-র শীর্ষ নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভবানীপুর। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল এবং বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনিক স্তরে রদবদল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ভবানীপুরে আমার বাড়ির সামনে হামলা হল। এমনকী আমার পোস্টারে থুতু দেওয়া হয়েছিল। তবে ঘটনার পিছনে রাজনীতি নেই বলেও এদিন মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের সভা থেকে সাফ বার্তা দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
পাশাপাশি এদিন জিয়াগঞ্জের সভা থেকে বিজেপিকে অলআউট আক্রমণ শানান মমতা। এদিকে যখন কোচবিহারে জনসভা করছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী তার কিছু মুহূর্ত আগে মমতা বলেন, দিল্লির বাবুরা বসন্তের কোকিলের মত এক একবার রাজ্যে আসেন। তাঁরা মানুষের পাশে থাকেন না। এরপরেই মমতা বলেন বাংলার মানুষ বিজেপিকে ঘৃণা করে। পাশাপাশি আক্রমণ শানান নির্বাচন কমিশনকেও। এদিন জিয়াগঞ্জের সভা থেকে ফের বাঙালি অস্মিতায় শান দেন মমতা। জানান, ভিন রাজ্যে শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার জন্য বহু মানুষকে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। পাশাপাশি তুলে ধরেন সুনালী খাতুনের প্রসঙ্গও।
সব মিলিয়ে একের পর এক বাক্যবানে বিজেপি সহ কমিশনকে বিদ্ধ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। দলনেত্রীর দিক নির্দেশের মাধ্যমে দলীয় কর্মীরা কতটা উজ্জীবিত হন, উত্তর মিলবে ভোট বাক্সেই।