একটা সময় ছিল যখন কাজের সন্ধানে বিভিন্ন রাজ্যের মানুষ এসে ডেরা জমাত এই বাংলায়। কংগ্রেস, সিপিএমের পর তৃণমূলের গুণ্ডারা সেই বাংলাকে নিঃস্ব করার জন্য সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জোড়াসাঁকোয় বিজয় সংকল্প স...
একটা সময় ছিল যখন কাজের সন্ধানে বিভিন্ন রাজ্যের মানুষ এসে ডেরা জমাত এই বাংলায়। কংগ্রেস, সিপিএমের পর তৃণমূলের গুণ্ডারা সেই বাংলাকে নিঃস্ব করার জন্য সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জোড়াসাঁকোয় বিজয় সংকল্প সভায় যোগ দিয়ে ঠিক এমনটাই বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূলের শাসনকালে দীর্ঘমেয়াদী বেকারত্বের এক অন্ধকারময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শিল্পায়ন থমকে গেছে। গত ১০ বছরে প্রায় ৭ হাজারের বেশি কোম্পানি বন্ধ হয়েছে। ৩০ লক্ষের বেশি যুবক-যুবতী কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
বঙ্গে এসে বিজেপি সরকারের পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন যোগী আদিত্যনাথ। নিশানায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। আক্রমণ শানিয়ে বলেন, রাম নামে আপত্তি মমতা দিদির। এখানে দুর্গাপুজোর অনুমতি দেওয়া তো দূর শোভাযাত্রাতেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয় বলেও অভিযোগ। এখানেই থেমে না থেকে গো-হত্যার অভিযোগ তুলে সুর চড়ালেন যোগী আদিত্যনাথ। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে রাম রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর মাফিয়ারাজের সমাপ্তি ঘটেছে বলে দাবি যোগীর। একই সঙ্গে দিলেন 'বুলডোজার' হুমকি।
একাধিক ইস্যুতে শাসকদলকে বিঁধলেন যোগী আদিত্যনাথ। ঠাকুরবাড়ির প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, যেখানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ভারতমাতার ছবি টাঙানো উচিত ছিল সেখানে তৃণমূলের গুণ্ডারা গায়ের জোরে কব্জা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি টাঙিয়ে দিয়েছে।
তাঁর কথায় তৃণমূলের গুন্ডাদের থেকে মুক্তির সময় এসে গিয়েছে। ৪ মের পর বাংলার অন্ধকারময় দিনের সমাপ্তি ঘটবে। পাশাপাশি তৃণমূল সুপ্রিমার 'খেলা হবে'-র পাল্টা খেলা শেষ হুঁশিয়ারি যোগীর।
জোড়াসাঁকো থেকে দিলেন পরিবর্তনের ডাক। পাশাপাশি নদিয়ার চাকদহতেও সভা করেন যোগী আদিত্যনাথ। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করতে যোগীর এই সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বাংলায় রাম রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার।