আর্জি ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের যেন ভোট গণনায় নিয়োগ করা না-হয়। কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের শাসকশিবিরের এই আর্জি খারিজ করে দেয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন বা এসএলপি করা হয়। সে...
আর্জি ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের যেন ভোট গণনায় নিয়োগ করা না-হয়। কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের শাসকশিবিরের এই আর্জি খারিজ করে দেয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন বা এসএলপি করা হয়। সেই এসএলপি-র শুনানিতে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের রায়ই বহাল থাকবে। যার অর্থ, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ভোট গণনায় নিয়োগ করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।
এবারও সুপ্রিম কোর্ট নিরাশ করল কপিল সিব্বালকে। পর্যবেক্ষকর মনে করিয়ে দিচ্ছেন, শুধু এবার নয়, এই নিয়ে পর-পর কতবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে নিরাশ হল রাজ্যের শাসকশিবির তা গুনে বলা কিঞ্চিৎ কঠিন।
নির্ধারিত নির্ঘণ্ট অনুযায়ী ভোটগণনা চলতি মে মাসের ৪ তারিখ। এমতাবস্থায়, হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে রাজ্যের শাসক শিবির আর্জি করে, গণনায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের যাতে নিয়োগ করা না-হয়। হাইকোর্ট পত্রপাঠ সেই আর্জি খারিজ করে দেয়। এরপর কার্যত হাইকোর্ট ও নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে এএলপি দায়ে করা হয়। এদিন শীর্ষ আদালতে বিচারপতি পিএস নরসিংহ ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। কমিশনের আইনজীবী আদালতকে জানান, গণনায় সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া হয় রিটার্নিং অফিসারকে। এই রিটার্নিং অফিসাররা কিন্তু রাজ্য সরকারের আধিকারিক। শুধু তা-ই নয়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর নিজস্ব এজেন্টরা থাকবেন। তাই, (গণনায় কারচুপির) যে-আশঙ্কা করা হচ্ছে, তা একেবারেই অমূলক।
দু-পক্ষের বক্তব্য শুনে সুপ্রিম কোর্ট তার অবস্থান স্পষ্ট করে জানায় যে, কমিশন ১৩ এপ্রিল যে-বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল (গণনা সংক্রান্ত) তাতে হস্তক্ষেপ করার কোনও প্রয়োজন বোধ করছে না আদালত।