বর্তমানে প্রতীক উর রহমানের দলত্যাগ ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চর্চা সপ্তমে। এই আবহে ভোটের মুখে ফের বড় ধাক্কা সিপিএমে। নির্বাচনের আগেই বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা এলাকায় দুই পঞ্চায়েত সদস্য বাম ছেড়ে ঘাসফু...
বর্তমানে প্রতীক উর রহমানের দলত্যাগ ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চর্চা সপ্তমে। এই আবহে ভোটের মুখে ফের বড় ধাক্কা সিপিএমে। নির্বাচনের আগেই বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা এলাকায় দুই পঞ্চায়েত সদস্য বাম ছেড়ে ঘাসফুলের হাত ধরল। শুক্রবার ওই দুইজনের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ মণ্ডল। এছাড়াও ওই প্রার্থী যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ ও বিধায়ক বিভাস সর্দার। তবে কী ভোটের আগেই 'শূন্য' থেকে 'মহাশূন্যের' দিকে এগোতে শুরু করল বামেরা? প্রশ্ন ছুড়ে কটাক্ষ বিরোধীদের।
এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে নবাগতরা জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বে উন্নয়ন যজ্ঞে সামিল হতেই দল বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ মণ্ডলের কথায়- বুথ,পাড়া, অঞ্চল ও জেলা পরিষদ স্তরে কমিটি আরও শক্তিশালী করা হবে এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে। মূলত ভোটের মুখে এটাই শাসক দলের কাছে মূল চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এই বিষয়ে বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার বিধায়ক বিভাস সর্দার তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, 'বর্তমানে ৯৪টি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন বাংলার সাধারণ মানুষ। আর সেই সুযোগ সুবিধায় খুশি হয়েছে সবাই। সেই সূত্রেই সিপিএমের দুই সদস্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।'
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েকদিন ধরেই প্রতীক উর রহমানের দলত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা মন্তব্য প্রকাশ্যে এসেছে। দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে একাংশকে। পাশাপাশি 'লবি' ইস্যুকে হাতিয়ার করেও দলের শীর্ষ নেতাদের নিশানায় নিতে দেখা গিয়েছে খোদ প্রতীক উর'কে। এই অবস্থা প্রতীক উরে'র 'প্রতীক' বদলের জল্পনাও জোরালো হতে শুরু করেছে। ফলে সব মিলিয়ে ঘরে বাইরে চরম অস্বতিতেই রয়েছে বামেরা।