৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি উঠেছিল। এবার সেই ৭৭টি বুথের মধ্যে ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সমস্ত বুথের স্ক্রুটিনি বা পর্যবেক্ষণ শেষে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ...
৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি উঠেছিল। এবার সেই ৭৭টি বুথের মধ্যে ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সমস্ত বুথের স্ক্রুটিনি বা পর্যবেক্ষণ শেষে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে রাজ্যের সিইও দফতর। আগামী চার তারিখ ভোটের ফলপ্রকাশ। তার আগে কোন দিনটি পুনর্নির্বাচনের জন্যে বেছে নেওয়া হবে, তাও আজকের মধ্যে জানান হবে খবর সূত্রের।
ইভিএমে টেপ লাগানো থেকে শুরু করে, বুথের বাইরে গন্ডগোল। যাবতীয় সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখে ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান হয়েছিল কমিশনের কাছে। যার মধ্যে রয়েছে, ফলতা বিধানসভার ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারের ২৯টি, বজবজের ৩টি এবং মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার ১৩টি বুথ। এবং উল্লেখযোগ্যভাবে অধিকাংশ বুথগুলোই তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভার অন্তর্গত। এমতাবস্থায় ডায়মন্ডহারবারে ৪টি, পশ্চিম মগড়াহাটে ৬ টি ও ফলতার ৫টি বুথে স্ক্রুটিনির সময় ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে কমিশন।
বলে রাখা ভালো, পুনর্নির্বাচনের দাবি উঠতেই বৃহস্পতিবার বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে ফোন করেছিলেন খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। যে বুথ গুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে স্ক্রুটিনির নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। আর সেই নির্দেশ পাওয়া মাত্রই রাতভর বুথ ঘুরে পর্যবেক্ষণ চলে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেই পর্যবেক্ষণের রিপোর্ট রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পৌঁছাবে বলে খবর সূত্রের।