কিচ্ছু ছাড়েনি তৃণমূল! ফের ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, এমনকি শিশুদের স্কুলের ড্রেস পর্যন্ত উদ্ধার হল প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কার্যালয় থেকে। এমনকি সেখানে আলাদা ঘর ও বিছানা-বালিশেরও হদিশ ম...
কিচ্ছু ছাড়েনি তৃণমূল! ফের ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, এমনকি শিশুদের স্কুলের ড্রেস পর্যন্ত উদ্ধার হল প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কার্যালয় থেকে। এমনকি সেখানে আলাদা ঘর ও বিছানা-বালিশেরও হদিশ মিলেছে। উদ্ধার হয়েছে প্যাকেট প্যাকেট কন্ডোম। শুক্রবার সকালে গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পর দিন একটা ত্রিপলের জন্য আবেদন জানান হলেও খালি হাতে ফিরতে হত তাঁদের।
রাজনীতির ময়দানে বহু পুরনো নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। আগে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক ছিলেন তিনি। এবারও বিধায়ক পদে লড়ার জন্য দলের তরফে টিকিট দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এমতাবস্থায় গত ৪ মে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। আর তারপর থেকেই ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পর দিন সরকারি অনুদান থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছিল তাঁদের। সাধারণ মানুষকে ত্রাণের সামগ্রী না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেগুলি ব্যক্তিগত অফিস ঘরের গোডাউনে মজুত করে রেখেছিলেন নরেন্দ্রনাথ।
শুক্রবারই সেই ক্ষোভ ব্যাপক আকার ধারণ করে। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি ও কার্যালয় ঘিরে বিক্ষোভে সামিল হন শতাধিক মানুষ। রীতিমত তালা ভেঙে তাঁরা ঢুকে পড়েন কার্যালয়ে। সেখানেই দেখতে পান ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, এমনকি শিশুদের স্কুলের ড্রেস-সহ বহু জিনিস। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে শুরু করলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তবে এখানেই শেষ না। কার্যালয়ের ভিতর দেখা যায় বিছানা,বালিশও। ড্রয়ার থেকে উদ্ধার হয়েছে প্যাকেট প্যাকেট কন্ডোমও। যা দেখে রীতিমত চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয়দের।