বোরখা পরা নিয়ে মহুয়া মৈত্রের মন্তব্যে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ করা হয়েছিল নদিয়ার হোগলাবেড়িয়া থানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর হয়। এমতাবস্থায়, গ্রেফতারির আশঙ্কা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ...
বোরখা পরা নিয়ে মহুয়া মৈত্রের মন্তব্যে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ করা হয়েছিল নদিয়ার হোগলাবেড়িয়া থানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর হয়। এমতাবস্থায়, গ্রেফতারির আশঙ্কা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ। এবং, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তাঁকে এদিন রক্ষাকবচ দেন। অক্টোবর পর্যন্ত মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। তবে, তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে সাংসদকে।
প্রসঙ্গত, সংসদে এখন বাদল অধিবেশন চলছে। লোকসভায় তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন অন্য দলে যোগ দিয়েছেন। এমতাবস্থায়, তাঁদের স্বীকৃতি দেওয়া-না-দেওয়া নিয়ে কালীঘাট-তৃণমূলের হয়ে ঝোড়ো ইনিংস খেলতে দেখা যাবে মহুয়াকে। তাছাড়া, ককরোচ পার্টির আন্দোলন নিয়ে তেতে রয়েছে দিল্লির রাজনৈতিক মহল। তাই, বাদল অধিবেশন শেষ হলে, অগস্টের ১৪ তারিখ মহুয়াকে থানায় গিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকের মুখোমুখি হতে হবে। হাইকোর্টের এই নির্দেশে আপাতত স্বস্তি পেলেন তৃণমূল সাংসদ।
চলতি জুলাইয়ের ১ তারিখ তৃণমূল সাংসদকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম-পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এবং, ওই পরিস্থিতিতে, বোরখা পরা বিতর্কিত মন্তব্য করেন সাংসদ। সেই মন্তব্যে ধর্মীয় অবমাননা হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় হোগলাবেড়িয়া থানায়।
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ধর্ম ও সম্প্রদায়কে নিয়ে আলটপকা মন্তব্য করে আগেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন মহুয়া। গত বছর নিজের সাংসদীয় এলাকায় মতুয়া ও নমঃশূত্র সম্প্রদায়কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন তিনি। কাঠের মালা পরে লক্ষ্মীর ভান্ডারের ভাতা নিতে আসেন বলে বিশেষ সম্প্রদায়কে কটাক্ষ করেন। ওই মন্তব্যের বিরুদ্ধে পাল্টা ময়দানে নামেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।