রিসর্ট আটকে সেবাশ্রয় চালানোর অভিযোগ। প্রায় ৪০ দিন পৈলানের একটি রিসর্টে রাখা হয়েছিল স্বাস্থ্য শিবিরের চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মীদের। কিন্তু তাঁদের থাকা-খাওয়া বাবদ এক পয়সাও রিসর্ট কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়নি ব...
রিসর্ট আটকে সেবাশ্রয় চালানোর অভিযোগ। প্রায় ৪০ দিন পৈলানের একটি রিসর্টে রাখা হয়েছিল স্বাস্থ্য শিবিরের চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মীদের। কিন্তু তাঁদের থাকা-খাওয়া বাবদ এক পয়সাও রিসর্ট কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ অভিষেকের বিরুদ্ধে। এমতাবস্থায় এই অভিযোগের ভিত্তিতে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের বিরুদ্ধে বিষ্ণুপুর থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন রিসর্ট কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
অভিষেক ছাড়াও তাঁর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক সুমিত রায় ও বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, সেবাশ্রয় চলাকালীন ১১০ থেকে ১২০ জন চিকিৎসক এবং কর্মচারীর থাকা-খাওয়া এবং যাতায়াতের বন্দোবস্ত করতে বাধ্য করা হয়েছিল তাঁদের। রিসর্টের সমস্ত ঘর অন্তত ৪০ দিনের জন্য আটকে রাখা হয়েছিল। ভাড়া দিতে না-পারায় পর্যটনের মরসুমে কর্তৃপক্ষের বড়সড় আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। রীতিমত হুমকি দিয়ে ও ভয় দেখিয়ে এই কাণ্ড ঘটিয়েছিল সুমিত এবং দিলীপ। অভিযোগ, সেবাশ্রয় এবং সেবাশ্রয় ২-এর জন্য অন্তত ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছিল রিসর্ট মালিকের।
এমতাবস্থায় রিসর্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযুক্তরা সকলেই প্রভাবশালী ছিলেন। তাই ভয়ে এতদিন মুখ খুলতে পারেননি তিনি। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই সেই ভয় কেটেছে। পুলিস সূত্রে খবর, রিসর্ট কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তোলাবাজি এবং দুর্নীতিদমন আইনের একাধিক ধারায় অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্তও।