অ্যাকাউন্টে আবাসের টাকা ঢুকতেই বাড়িতে হাজির তৃণমূল নেতা। ভয় দেখিয়ে ৮ হাজার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ! ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোরগোল পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা ব্লকের ১০/১ ডাঁয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ইসলাম...
অ্যাকাউন্টে আবাসের টাকা ঢুকতেই বাড়িতে হাজির তৃণমূল নেতা। ভয় দেখিয়ে ৮ হাজার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ! ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোরগোল পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা ব্লকের ১০/১ ডাঁয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ইসলামপুর এলাকায়।
জানা গিয়েছে, উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে সদ্য ঢুকেছে রাজ্য সরকারের 'বাংলা বাড়ি' প্রকল্পের প্রথম দফার টাকা। আর সেই টাকা ঢুকতেই সামনে এল নতুন বিপদ। অভিযোগ, 'বাংলার বাড়ি' টাকার ভাগ বা 'কাটমানি' না দিলে আটকে দেওয়া হবে বাড়ির পরবর্তী কিস্তির টাকা। এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠল খোদ ডেবরা ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে।
রাজ্য সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, সাধারণ গরিব মানুষদের বাড়ি তৈরির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের তৎপরতায় ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রথম ধাপের টাকা পৌঁছেও গিয়েছে। অভিযোগ, এক উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে সেই টাকা ঢোকার পরেই তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করেন এলাকার দাপুটে নেতা শেখ শহিরুল আলী।
ইসলামপুর বুথের ইলিয়াস খান নামে এক ব্যক্তি বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, শহিরুল ওই উপভোক্তার কাছে ৮ হাজার টাকা 'কাটমানি' দাবি করেছেন। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই টাকা না দিলে তিনি ব্যবস্থা করে ওই উপভোক্তার বাড়ির পরবর্তী কিস্তির টাকা ঢোকা বন্ধ করে দেবেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শেখ শহিরুল আলী এলাকায় প্রভাবশালী নেতা হিসেবেই পরিচিত। তিনি ডেবরা ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা।
একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে কীভাবে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে উপভোক্তাকে হুমকি দিতে পারেন, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।ইতিমধ্যেই ডেবরার বিডিও-র কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। প্রশাসনের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে বাংলার বাড়ির টাকা ঢোকার মুখেই খোদ যুব তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এমন হুমকিসূচক অভিযোগ ওঠায় অস্বস্তিতে স্থানীয় ঘাসফুল শিবির।