বারুইপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ হয়। এবং, কালীঘাট-তৃণমূলের দাবি, তারাই আক্রান্ত হয়েছে, কোনও প্ররোচনা ছাড়াই। এমতাবস্থায়, হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে ফেস...
বারুইপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ হয়। এবং, কালীঘাট-তৃণমূলের দাবি, তারাই আক্রান্ত হয়েছে, কোনও প্ররোচনা ছাড়াই।
এমতাবস্থায়, হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দোলা সেনকে পাশে রেখে দলীয় নেতা-কর্মীদের হাসপাতালে ভরতির আবেদন জানান তিনি। এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে, নিজের রাগ সামলাতে না-পেরে দলেরই এক কর্মীকে ঠাটিয়ে থাপ্পড় কষাতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। প্রশ্ন ওঠে, বিধানসভায় বিপর্যয়ের পর কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন?
পর্যবেক্ষকরা কেউ কেউ অবশ্য বলছেন, নেত্রী ভালোই জানেন যে, তাঁর দলের নেতাকর্মীরা কতটা বিশৃঙ্খল। এবার তাঁরা কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে নেত্রীর সামনেই হুড়োহুড়ি শুরু করে দিয়েছিলেন কাল, এই যা ফারাক আর কী। তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ দাবি করেন, নেত্রী যা করেছেন তা একজন অভিভাবক হিসেবে করেছেন।
এমতাবস্থায়, রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, “মাননীয়ার তার কেটে গেছে”। এরপর তাঁর সংযোজন, “ক্ষমতায় থাকলে অনেক কিছুই করা যায়। এখন ক্ষমতায় নেই উনি। বুঝুন। আমরা যখন কোথাও মিছিল-মিটিং করতাম, তখন জোরে মাইক বাজানো হত। জয় বাংলা, জয় বাংলা বলে স্লোগান দেওয়া হত। এখন উনি বুঝুন”।
গণধর্ষণের পর এক কিশোরীকে জীবন্ত বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে মারার ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা রাজ্য। অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার নাগরিক সমাজ।