সোদপুর পর্নোগ্রাফিকাণ্ডে নয়া মোড়! প্রতিদিন প্রকাশ্যে আসছে 'ফুলটুসির' নতুন নতুন রহস্য। এবার খোঁজ মিলল কলকাতাতে শ্বেতা খানে দুটি গোপন ডেরার। সূত্রের খবর, একটি ডেরা রয়েছে গল্ফগ্রিনে। আরেকটি রয়েছে, কলকাত...
সোদপুর পর্নোগ্রাফিকাণ্ডে নয়া মোড়! প্রতিদিন প্রকাশ্যে আসছে 'ফুলটুসির' নতুন নতুন রহস্য। এবার খোঁজ মিলল কলকাতাতে শ্বেতা খানে দুটি গোপন ডেরার। সূত্রের খবর, একটি ডেরা রয়েছে গল্ফগ্রিনে। আরেকটি রয়েছে, কলকাতার মেটিয়াবুরুজে।
পুলিস সূত্রে খবর, কলকাতার হাই সেন্সেটিভ জোন ভবানী ভবনের সামনে আলিপুর কোর্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে খিদিরপুর যাওয়ার রাস্তা দিয়ে হেঁটে হওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় ফুলটুসি ওরফে শ্বেতা খানের। জেরায় তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, মেটিয়াবুরুজে গা ঢাকা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল শ্বেতার।
পর্নোগ্রাফিকাণ্ড ফাঁস হতেই নিজের ফোন ব্যবহার করছিল না শ্বেতা। তবে বিকল্প নম্বর ব্যবহার করে নিজের পরিচিতিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। সেই নম্বরের লাইভ লোকেশন ট্রাক করে একেবারে কলকাতার রাস্তা থেকে গ্রেফতার করা হয় ফুলটুসিকে।
শ্বেতা ও তার ছেলে আরিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে উঠে আসছে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিসি জেরায় তরুণীকে মারধরের কথা অস্বীকার করেছে মা ও ছেলে। অভিযুক্ত আরিয়ান-এর দাবি, সোদপুরের তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার। ডোমজুড়ের ফ্ল্যাট থেকে পালিয়ে আসার এক সপ্তাহ আগে তাঁরা দিঘা ঘুরে আসে। তার আগে তারা শিমলা, কুলু মানালি ঘুরে এসেছে। মা-ছেলের দাবি, তরুণী বিবাহিত। তবুও আরিয়ানকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। নির্যাতিতার স্বামী সম্পর্কের কথা জানতে পেরে যাওয়ায় অশান্তি হচ্ছিল তরুণী ও তার স্বামীর মধ্যে।
পাল্টা, পানিহাটির তরুণীর বিরুদ্ধে ফাঁসানোর অভিযোগ তুলেছে শ্বেতা ও তাঁর ছেলে আরিয়ান। ফুলটুসির আরও দাবি, বাড়ি থেকে যেদিন পালিয়ে যায় তরুণী। সেদিন আলমারি ভেঙে টাকা পয়সা লুঠ করে পালায়। মা ছেলের সমস্ত দাবি খতিয়ে দেখছে পুলিস।
অন্যদিকে, আরিয়ান খান এবং শ্বেতা খান পুলিসের জলে ধরা পড়ার পর নির্যাতিতা তরুণীর বাবা-মা অভিযুক্তদের চরম শাস্তি অর্থাৎ যাবজ্জীবন জেল দাবি করছেন। তাঁরা আরও বলেছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আসামিরা ধরা পড়ে। কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে পুলিসের গাফিলতিতে আদালত থেকে তারা জামিন পেয়ে যায়। কিন্তু তাঁদের মেয়ের আসামিদের ক্ষেত্রে এই ধরনের যাতে কোনও ঘটনা না ঘটে। এই বিষয়ে মহামান্য আদালতের কাছে আবেদন জানাবেন পানিহাটির নির্যাতিতা তরুনীর বাবা মা।