শুনানি-পর্ব শেষ হয়েছে দুদিন আগে। এমতাবস্থায়, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লেখা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের একটি চিঠিকে হাতিয়ার করে রাজনৈতিক ময়দানে নামল বাংলার শাসকদল।এদিন তৃণমূলভবনে এক সাংবাদিক...
শুনানি-পর্ব শেষ হয়েছে দুদিন আগে। এমতাবস্থায়, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লেখা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের একটি চিঠিকে হাতিয়ার করে রাজনৈতিক ময়দানে নামল বাংলার শাসকদল।
এদিন তৃণমূলভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ একটি চিঠি হাতে নিয়ে দেখালেন। ওই চিঠিতে কী রয়েছে, তা পড়ে শোনালেন চন্দ্রিমা। যার সারমর্ম: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানতে চেয়েছেন, আবাস বা বাংলার বাড়ি প্রকল্পে পাওয়া সরকারি আর্থিক সাহায্যের নথি কি গ্রহণযোগ্য? গতমাসে পাঠানো ওই চিঠির উত্তর এল শুনানি শেষের দুদিন পর, ১৬ ফেব্রুয়ারি। এবং সেখানে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে স্পষ্ট জাননো হল, জমি-বাড়ির নথি ঠিক আছে, কিন্তু আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ি প্রকল্পে সরকার থেকে আর্থিক অনুদান পাওয়ার কাগজ গ্রাহ্য হবে না। এবং তা হবে না সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ও কমিশনের এসআইআর সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী।
এই চিঠি পড়ার পর চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের প্রশ্ন, নিজস্ব জমি না-থাকলে কি আবাস যোজনার অর্থ পাওয়া যায়?
কুণাল ঘোষের বক্তব্য, "বিষয়টি নিয়ে গত মাসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মতামত চেয়ে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। আর দিল্লি থেকে তার উত্তর এলো মাসখানেক বাদে। যখন শুনানি শেষ। বাংলার বহু মানুষ এই আবাসে আর্থিক অনুদানের নথি জমা দিয়েছে। আগে যদি এই সংশয় দূর করা হতো, তাহলে হয়তো তাঁদের অনেকেই অন্য কোনও নথি জোগাড় করার চেষ্টা করতেন। এখন সেই সুযোগ আর নেই। বিজেপির দালাল হয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস"।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দেড়কোটি মানুষের শুনানি শেষ হয়েছে দুদিন আগে। তাঁদের অনেকেই আবাসে আর্থিক অনুদানের নথি দিয়েছেন। সব চুকেবুকে যাওয়ার পর এখন যদি বলা হয়, ওই নথি গ্রাহ্য নয়, তাহলে তো বহু নাম বাদ পড়বে।