আবারও এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ। SIR আবহে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুলপি বিধানসভার ঢোলাহাটের কালীচরণপুর এলাকায়। বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় ত...
আবারও এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ। SIR আবহে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুলপি বিধানসভার ঢোলাহাটের কালীচরণপুর এলাকায়। বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের পরিবারের দাবি, এসআইআর নিয়ে দুশ্চিন্তার ফলেই 'ব্রেন স্ট্রোক' হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
পুলিস জানায়, মৃতের নাম শাহাবুদ্দিন পাইক (৪২)। স্থানীয় কিশোরপুর হাইমাদ্রাসার আরবির শিক্ষক ছিলেন। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি ও তাঁর স্ত্রী আফ্রুজা বিবির নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় না থাকায় তিনি চিন্তার মধ্যে পড়েছিলেন। সারাদিন সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন তিনি। এর মাঝে গত শনিবার বাড়িতে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপর তড়িঘড়ি তাঁকে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে আসেন মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার এবং কুলপির বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার৷ মৃতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তাঁরা।
অন্যদিকে, শুক্রবার ধূপগুড়ি মহাকুমার অন্তর্গত বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ ডাঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা লালুরাম বর্মনের মৃত্যু হয়। বৃদ্ধের বাড়িতে SIR-এর ফর্ম দিতে BLO যে সময় আসেন, তখন বাড়ির লোক ব্যস্ত হয়ে যান কাগজপত্র দেখাতে। ঠিক সেই সময় কাগজপত্র দেখে ঘরে ফিরে দেখতে পান লালুরাম বর্মনের মৃত্যু হয়েছে। লালুরাম বর্মনের ছেলে জানান, ১৯৯৪ সালে তাঁর বাবা বাংলাদেশ থেকে ভারতবর্ষে আসেন। ২০০২ সালের লিস্টে নাম ছিলনা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, SIR আতঙ্কে মৃত্যু হয়েছে লালুরাম বর্মনের।