সিনেমার গল্প হার মানবে সুবোধের ডাকাতির গল্প। ইতিমধ্যেই সিআইডির জালে কুখ্যাত গ্যাংস্টার সুবোধ সিং। জিজ্ঞাসাবাদের পরই একে একে সড়ছে সুবোধ গ্যাংয়ের দুষ্কর্মের কালো পর্দা। সিআইডির হাতে ধরাও পরেছে এরাজ্যে ...
সিনেমার গল্প হার মানবে সুবোধের ডাকাতির গল্প। ইতিমধ্যেই সিআইডির জালে কুখ্যাত গ্যাংস্টার সুবোধ সিং। জিজ্ঞাসাবাদের পরই একে একে সড়ছে সুবোধ গ্যাংয়ের দুষ্কর্মের কালো পর্দা। সিআইডির হাতে ধরাও পরেছে এরাজ্যে সুবোধের দুই সাগরেদ সাহিল ও রওশন। পুলিস সূত্রে খবর, সাহিলের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বেলঘরিয়ার ব্যবসায়ী অজয় মন্ডল এর ওপর হামলার ব্যবহৃত হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র। সাহিল কে গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবেদের পর উঠে আসছে ভয়ানক সব স্বীকারোক্তি।
সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সাহিল সিংয়ের উপর সুবোধের নির্দেশ ছিল বেলঘরিয়ার ব্যবসায়ী অজয় মন্ডল এর ওপর হামলার ব্যবহারিত হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র দুষ্কৃতীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার। সেই মতো মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে বিহারের নওদা থেকে এরাজ্যে নিয়ে আসা হয় সাহিলকে। সাহিল হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডে একটি হোটেল ভাড়া থেকে হামলার জন্য রেইকি চালিয়েছে বলেও দাবি গোয়ান্দাদের। এছাড়াও হামলায় ব্যবহৃত দুটি বাইক নিয়ে আসা হয়েছিল বিহার থেকে জানিয়েছে সাহিল। সাহিলের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২ টি পিস্তল যা হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল। বিহারের বেউর জেলে বসেই এই সমস্ত পরিকল্পনা করতো সুবোধ এমনটাই দাবি সিআইডির।
তদন্তে জানা গিয়েছে, সুবোধ প্রায় ২০০ কোটি টাকার সোনা সংগ্রহ করেছিল। সিআইডি সূত্রে খবর, সুবোধ চুরি করা সোনার গহনাগুলি বিহারের সমষ্টিপুরে পাঠাতো গলিয়ে বারে রূপান্তরের জন্য। তারপর সেই বার পাচার করা হত নেপালে। ২০১৮ সালে রাজস্থানের কোটায় একটি সোনা-লোন ফাইন্যান্স কোম্পানিতে ডাকাতির তদন্ত করে রাজ্য পুলিস। তাতেও মাস্টার মাইন্ড ছিল সুবোধ দাবি গোয়ান্দাদের। এরপর জয়পুর, মধ্যপ্রদেশ, ব্যারাকপুর একের পর এক ডাকাতি করে সুবোধ।