ব্যারাকপুরের জনসভায় তৃণমূল প্রার্থী ও চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সমর্থনে সভা করতে এসে নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং অভিযোগ করলেন, কমিশনের জন্যই রাজ্য সরকারি কর্মীরা ডিএ...
ব্যারাকপুরের জনসভায় তৃণমূল প্রার্থী ও চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সমর্থনে সভা করতে এসে নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং অভিযোগ করলেন, কমিশনের জন্যই রাজ্য সরকারি কর্মীরা ডিএ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কী বলেছেন মমতা?
" ৪ শতাংশ ডিএ দেবো। আমি বলেছিলাম বাজেটে। কমিশন আটকে রেখেছে। আমি বলব, তুমি (কমিশন) সরকারি কর্মচারীদের স্বার্থে অবিলম্বে ফাইল ক্লিয়ার করো। তোমার কাছে এটা (ফাইল) যাওয়াই উচিত নয়। তার কারণ এটা বাজেটের ঘোষণা। ২৫ শতাংশ ডিএ দিয়েছি, আর যে ৪ শতাংশ ঘোষণা করেছি, তা এই এপ্রিলের বেতনের সঙ্গেই আপনারা (সরকারি কর্মচারীরা) পাবেন। মাথায় রাখবেন, আমি যেটা বলি সেটা করি"।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবং, শেষ অবধি রাজ্যের আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কীভাবে কত শতাংশ ডিএ পাবেন কর্মচারীরা, তা নির্ধারণ করতে একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু তা সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ নিয়ে টালবাহানা করে নবান্ন। কর্মচারীদের সংগঠন আদালত অবমাননার মামলা করে। এই পরিস্থিতিতে, সরকারি কোষাগার থেকে যাঁরা বেতন পান, তাঁদের মধ্যে একটি বিভাজন রেখা তৈরি করে বকেয়া ২৫ শতাংশ ডিএ-র কথা ঘোষণা করা হয়। যা নিয়ে কর্মচারীদের সংগঠন রীতিমতো ক্ষুণ্ণ হয়।
এই পরিস্থিতিতে, সপ্তাহখানেক আগে কেন্দ্রীয় সরকার তার কর্মচারীদের জন্য আরও ২ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করে। এবং, রাজ্য ও কেন্দ্রের ডিএ-হারের মধ্যে ফারাক বাড়ে। এমতাবস্থায়, এপ্রিলের বেতনের সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রীর আরও ৪ শতাংশ ডিএ-র প্রতিশ্রতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।