নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নবান্নের সংঘাত এখন চরমে। এমতাবস্থায়, কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর মন্তব্য, "রাজ্য বনাম কমিশন সংঘাতে সাধারণ মানুষের কোনও সুরাহা হচ্ছে না"। অধীরের বক্তব্য, কমিশন যদি এসআইআর নিয়...
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নবান্নের সংঘাত এখন চরমে। এমতাবস্থায়, কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর মন্তব্য, "রাজ্য বনাম কমিশন সংঘাতে সাধারণ মানুষের কোনও সুরাহা হচ্ছে না"।
অধীরের বক্তব্য, কমিশন যদি এসআইআর নিয়ে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করে, সেখানে রাজ্য হস্তক্ষেপ করতেই পারে। কিন্তু, দু-পক্ষের মধ্যে যে সংঘাত তৈরি হয়েছে, তাতে রাজ্যের সাধারণ ভোটাররা যে তিমিরে ছিলেন সেই তিমিরেই রয়ে যাচ্ছেন।
আবেদন নিবেদনে কাজ না-হওয়ায় সরাসরি ৭ জন ইআরওকে সাসপেন্ড করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে বাংলার রাজনৈতিক মহল রীতিমতো উত্তপ্ত। এছাড়া, আরও চারজনের নামে এফআইআর করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাজ্যের অধীনে কর্মরত ১১ জন আধিকারিকের সার্ভিস বুকে যে-'দাগ' লাগলো, কর্মজীবনে তার খেসারত তাঁদেরই দিতে হবে। ভবিষ্যতে পদোন্নতি থেকে শুরু করে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে তাঁদের। এমতাবস্থায়, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বার্তা দিলেন, "নিয়ম মেনে কাজ করুন, কেউই অসীম ক্ষমতাশালী নন"।
মঙ্গলবার 'তুঘলকি' নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে এভাবেই তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের রায় পর্যন্ত মানছে না কমিশন, সাংবাদিক বৈঠকে অভিযোগ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, "চাইলে ঘেরাও করে রাখতে পারি। কিন্তু করিনি। নিজেদের ক্ষমতার পরিধির মধ্যে কাজ করুন। ৭ জন এইআরওকে সাসপেন্ড করলেন। তাঁদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগটুকুও দিলেন না। একজন চোরও কিন্তু আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পায়। সোজা আঙুলে ঘি উঠছে না, বাঁকা আঙুলে ঘি তোলার চেষ্টা করছেন"।