নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করলেন, "বিজেপি যা বলছে তা-ই করছে। ইচ্ছে মতো কাজ করছে সিআরপিএফ। চক্রবেড়িয়ায় গিয়ে দেখে আসুন, আম...
নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করলেন, "বিজেপি যা বলছে তা-ই করছে। ইচ্ছে মতো কাজ করছে সিআরপিএফ। চক্রবেড়িয়ায় গিয়ে দেখে আসুন, আমাদের সব পোস্টার খুলে দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ মানছে না। আমরা আদালত অবমাননার মামলা করেছি। বাইরে থেকে এসেছে পুলিস পর্যবেক্ষক। এভাবে ভোট হয়'?
প্রসঙ্গত, ভবানীপুর মিত্র স্কুলে ভোট দিয়ে বের দিয়ে বেরনোর পর কমিশনের উপর প্রবল ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং, স্পষ্ট দাবি করলেন, কমিশন যেভাবে কাজ করছে, যেভাবে তাদের পুলিস পর্যবেক্ষকরা কাজ করছেন, তা এক্তিয়ার বহির্ভূত।
ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আসছিল কমিশনের কাছে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, উত্তরপ্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস অজয় পাল শর্মা দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিস পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে পাঠানো হয়। ওই আইপিএস জাহাঙ্গিরের বাড়িতে ও মহল্লায় গিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কেউ যদি কোনওরকম গন্ডগোল করে, ভোটারদের ধমক-চমক দেয়, তাহলে তাকে ভালোরতকম খাতিরযত্ন করা হবে। তখন কিন্তু কান্নাকাটি করলে চলবে না।
এদিন ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করলেন, "পুলিস পর্যবেক্ষক কখনও এভাবে কাজ করতে পারেন না। এটা তাঁর এক্তিয়ার বহির্ভূত। পর্যবেক্ষক কমিশনের চোখ ও কান হবেন। এবং, কোনও সমস্যা দেখলে সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিস আধিকারিককে জানাবেন। কিন্তু, নিজে গিয়ে এভাবে ভয় দেখাতে পারেন না"।
এরপরই, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কমিশনকে তোপ দেগে অভিষেক বলেন, "মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে, ভীত-সন্তস্ত্র পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তবু বলব, নির্ভয়ে ভোট দিন। এসব করে কোনও লাভ হবে না। প্রথম দফাতেই বিজেপির দফারফা হয়ে গেছে। এবার উত্তরপ্রদেশ থেকে গুন্ডা নিয়ে এসেছে বিজেপি। দ্বিতীয় দফার ভোট শুরু হয়েছে। ৪ তারিখ (৪ মে) ব্যালট বক্স খুললেই বোঝা যাবে, কে জিতছে-না-জিতছে"।