বাজেট অধিবেশনের শুরুতে ভাষণ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের ধন্যবাদজ্ঞাপন প্রস্তাবের জবাবে বৃহস্পতিবার ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন রাজ্যসভায় কংগ্রেসকে নিশানা করে মোদী ...
বাজেট অধিবেশনের শুরুতে ভাষণ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের ধন্যবাদজ্ঞাপন প্রস্তাবের জবাবে বৃহস্পতিবার ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন রাজ্যসভায় কংগ্রেসকে নিশানা করে মোদী বলেন, 'এটা রাষ্ট্রপতির প্রতি বড় অপমান। আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা একজন মহিলাকে আপনারা যেভাবে আপমান করলেন, তা আদিবাসী, মহিলা ও সংবিধানের অপমান।
পাশাপাশি, তৃণমূলকে তোপ দেগে মোদী বলেন, তৃণমূল অনেক কথা বলেছে। একটা নির্মম সরকারের যা যা প্যারামিটার থাকা উচিত, সব করেছে ওরা। আর ওরা এখানে উপদেশ দিচ্ছে। বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ ডুবছে অন্ধকারে। ওরা এখানে উপদেশ কেন দেয়? দুনিয়ার বড় বড় দেশও অবৈধ নাগরিকদের নিজেদের সীমা থেকে বের করে দিচ্ছে। আর ওরা ওদের বাঁচানোর জন্য আদালতে যাচ্ছে, চাপ তৈরি করছে। এটা কাম্য? এতে দেশের যুবক-যুবতীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকছে না। আদিবাসীদের জমি খোয়া যাচ্ছে। কোনও নীতি নেই ওদের। তারপরও উপদেশ দেয় কোন মুখে?
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর জবাবি ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অধিবেশন শুরুর আগে থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লোকসভা। ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি এবং প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম. এম. নারাভানের অপ্রকাশিত বই নিয়ে বিরোধীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি চরম আকার নেয় যখন একদল মহিলা বিরোধী সাংসদ ব্যানার হাতে ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে এগিয়ে যান।
বিরোধীদের এই আচরণকে ‘সংসদের ইতিহাসে কলঙ্কজনক’ বলে অভিহিত করেছেন স্পিকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কক্ষের ভেতরে এভাবে বিশৃঙ্খলার রূপ নেওয়া কাম্য নয়। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ছাড়াই লোকসভা মুলতুবি করে দিতে বাধ্য হন স্পিকার।