ভয়ঙ্কর বার্তা! পুলিসের উর্দি পরেই ধর্মীয় উস্কানি! এবং, তৃণমূলকে ভোট না-দেওয়ার আবেদন!সমাজমাধ্যে পুলিসের পোশাক পরেই এমনই একটি ভিডিয়ো পোস্ট করলেন কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল রামকৃষ্ণ কয়াল। প্রশ্ন উঠল, পু...
ভয়ঙ্কর বার্তা! পুলিসের উর্দি পরেই ধর্মীয় উস্কানি! এবং, তৃণমূলকে ভোট না-দেওয়ার আবেদন!
সমাজমাধ্যে পুলিসের পোশাক পরেই এমনই একটি ভিডিয়ো পোস্ট করলেন কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল রামকৃষ্ণ কয়াল। প্রশ্ন উঠল, পুলিসের পোশাক পরে একজন কনস্টেবল 'জেহাদি শক্তি'কে পরাস্ত করতে তৃণমূলকে ভোট না-দেওয়ার আবেদন করেন কোন আক্কেলে? এরপরই কড়া পদক্ষেপ করে লালবাজার। সাসপেন্ড করা হল ওই কনস্টেবলকে।
ফেসবুক পোস্টে কী বক্তব্য কনস্টেবলের?
"নমস্কার। আমি রামকৃষ্ণ কয়াল। পেশায় একজন কলকাতা পুলিস কর্মী। ২৩ বছরের কর্মজীবন অতিবাহিত। এখনও ১৭ বছর কর্মজীবম বাকি আছে। ২৩ বছর কর্মজীবনের ১৫ টি বছর আমি তৃণমূল সরকারকে দিলাম। এই। এই ১৫ বছরে আমি দেখলাম, কীভাবে ডিপার্টমেন্টের ইসলামিকরণ হচ্ছে। দেখলাম, কীভাবে প্রশাসনিকভাবে হিন্দুকে, বাঙালিকে মুসলিম হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। আসন্ন এই বিধানসভা নির্বাচনে, দ্বিতীয় দফার ভোটে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত বাঙালির কাছে আমার আবেদন, আপনাদের ভাষায় তথাকথিত চটিচাটা, দলদাস একজন পুলিসের আবেদন, আপনারা এমনভাবে ভোট দিন যাতে সরকারের পরিবর্তন হয়। হ্যাঁ, আমি একজন দলদাস, চটিচাটা পুলিস এই কথা বলছি। সবাইমিলে তৃণমূলের এই সরকার পরিবর্তন করে বিপরীতে ভোট দিন। তৃণমূল জিতে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে মুসলমানের জিতে যাওয়া। জেহাদি শক্তির জিতে যাওয়া। আর মুসলমানদের জিতে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে, আমাদের মঠ-মিশন ধ্বংস হওয়া। আমাদের দেবদেবীর মূর্তি ধ্বংস হওয়া। এবং, আমাদের মা-বোনেদের ইজ্জত যাওয়া। রেপ। হ্যাঁ, রেপ। মুসলমান ধর্মমতে, আরবের মতবাদে, যারা আরবের মতবাদ ফলো করে তাদের আমি মুসলমান বলি। সেই ধর্মীয় মতবাদ অনুযায়ী, এরা বিধর্মী মহিলাদের ধর্ষণ করতে পারবে। এমনকি, আপনাকে একটা মিথ্যে অজুহাত দিয়ে, ইসলাম অবমাননা হয়েছে এই অজুহাত দিয়ে, আপনাকে এলাকাছাড়া করবে। যেখানে পাবে সেখানে হত্যা করবে। যাকে আমরা দাঙ্গা বলে থাকি। আপনি কি জানেন বন্ধু, এই রোজার পরেই বিধর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেওয়া আছে। ... সমগ্র বাংলার হিন্দুদের কাছে আবেদন, এই ভোটে এই সরকারকে অবশ্যই পরিবর্তন করুন। সেইরকম সরকার আনুন, যারা আমাদের ধর্মরক্ষার কথা বলে, যারা হিন্দুদের বাঁচানোর কথা বলে।"